• Home
  • Who Am I
Wednesday, February 4, 2026
  • Login
Shanaullah Sakib
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
Shanaullah Sakib
No Result
View All Result

ইসলামী ব্যাংক; শুদ্ধি অভিযানে সম্মত শীর্ষ সৌদি বিনিয়োগকারী

admin by admin
September 13, 2015
in ব্যাংকের চলতি ঘটনা
0

জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয় এমন পরিচালক/কর্মকর্তাদের ইসলামী ব্যাংক থেকে সরিয়ে দিতে সম্মত হয়েছেন ব্যাংকটির ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ আল রাজী। এ ধরনের ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে সরকারের সহায়তাও চেয়েছেন তিনি। সম্প্রতি সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহর সঙ্গে এক বৈঠকে এ মত দেন ব্যাংকটিতে বিনিয়োগকারী আল রাজী কোম্পানির প্রতিনিধি ইউসুফ আল রাজী। অর্থমন্ত্রীর কাছে পাঠানো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এক চিঠিতে বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে

একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইসলামী ব্যাংকে সবচেয়ে বেশি শেয়ারের মালিক সৌদি আরবভিত্তিক আল রাজী কোম্পানি। ব্যাংকটিতে এ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আল রাজীর প্রতিনিধি হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন ইউসুফ আল রাজী। অর্থমন্ত্রীর নির্দেশে সম্প্রতি তার সঙ্গে বৈঠক করেন গোলাম মসীহ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী চিঠির মারফত অর্থমন্ত্রীকে তা অবহিত করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আপনার (অর্থমন্ত্রীর) নির্দেশনা মোতাবেক তিনি (গোলাম মসীহ) সম্প্রতি ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ আল রাজীর সঙ্গে তার রিয়াদের কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন। মতবিনিময়কালে ইউসুফ আল রাজী ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সদস্য/পরিচালক/ কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা জামায়াতে ইসলামীর কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত, তাদেরকে ব্যাংকের কার্যক্রম থেকে অপসারণের উদ্যোগ নিতে তিনি প্রস্তুত/সম্মত মর্মে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন। এ ধরনের ব্যক্তিদের শনাক্ত করার ক্ষেত্রে তাকে সহায়তার জন্যও অনুরোধ করেন তিনি।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই চিঠিতে আরো বলা হয়, ‘উপযুক্ত বিষয়ে ইসলামী ব্যাংকের সৌদি বিনিয়োগকারীর মনোভাব বেশ ইতিবাচক মর্মে প্রতীয়মান হয়, যা জামায়াতের বিষয়ে বর্তমান সরকারের অনুসৃত নীতির প্রতি তাদের সহমত ও আস্থার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় যথাযথ সতর্কতার সঙ্গে এটি বিবেচনা করতে হবে, যাতে তা সংশ্লিষ্ট কোনো মহল, বিশেষ করে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে এ উদ্যোগের বিষয়ে কোনো ধরনের নেতিবাচক মনোভাব না বাড়ায়। উপযুক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মুস্তাফা আনোয়ার বণিক বার্তাকে বলেন, ব্যাংকের পর্ষদ সভায় এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা আলোচনা হয়নি। এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে অবশ্যই তা পর্ষদে তুলতে হবে। ইউসুফ আল রাজী এ ধরনের কোনো আলোচনা আমাদের সঙ্গে করেননি। সর্বশেষ গত জুনে তিনি ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দিতে এসেছিলেন। এর পর পর্ষদ বা ব্যাংকের কোনো সভায় যোগ দেননি তিনি।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে পাঠানো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চিঠির বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে ‘ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বোর্ড সদস্য/পরিচালক/কর্মকর্তাদের বিষয়ে তথ্য প্রদান।’

চিঠিপ্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. এম আসলাম আলম। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংককে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আমরা এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছেও হস্তান্তর করেছি। এ বিষয়ে টাস্কফোর্স কাজ করছে। তারাই বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। তবে ব্যাংকে কারা থাকবে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদকেই নিতে হবে।’

ইসলামী ব্যাংকে বর্তমানে কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন ১৩ হাজারের বেশি। গত মাসের শুরুর দিকে পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তারা ইসলামী ব্যাংক থেকে এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম-ঠিকানাসহ বিস্তারিত বিবরণী সংগ্রহ করেন। এর পর ব্যাংকের সব পর্যায়ের কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

দেশী-বিদেশী যৌথ উদ্যোগে ১৯৮৩ সালে দেশে যাত্রা করে ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটিতে শীর্ষ দুই বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানই বিদেশী। একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সৌদিভিত্তিক আল রাজী কোম্পানির পর ব্যাংকটির সবচেয়ে বেশি শেয়ার রয়েছে কুয়েতের পাবলিক অথরিটি ফর মাইনরস অ্যাফেয়ার্সের, যা মোট বিনিয়োগের ৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

ইসলামী ব্যাংকে অন্য বিদেশী উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিরা হলেন— ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, কুয়েত ফিন্যান্স হাউজ, ইসলামিক ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড করপোরেশন দোহা, ইসলামিক ব্যাংকিং সিস্টেম ইন্টারন্যাশনাল হোল্ডিং লুক্সেমবার্গ, শেখ আহমেদ সালেহ জামজুম, শেখ ফুয়াদ আব্দুল হামিদ আল-খতিব, দ্য পাবলিক ইনস্টিটিউট ফর সোস্যাল সিকিউরিটি কুয়েত ও মিনিস্ট্রি অব জাস্টিস কুয়েত। এছাড়া প্রতিষ্ঠাকালীন বিদেশী উদ্যোক্তা বাহরাইন ইসলামী ব্যাংক সব শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছে। আরেক উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান দুবাই ইসলামী ব্যাংকও বেশির ভাগ শেয়ার ছেড়ে দিয়েছে। ব্যাংকটিতে স্থানীয় বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো  হলো— বায়তুল শরিফ ফাউন্ডেশন, ইবনে সিনা ট্রাস্ট, বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার ও ইসলামিক ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরো।

বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৬০৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এ ব্যাংকের উদ্যোক্তা অংশের মালিকানা ৫৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এর বাইরে বিদেশী ১৪ দশমিক ৭৬, প্রাতিষ্ঠানিক ৬ দশমিক ১৯ ও অবশিষ্ট ২০ দশমিক ৬৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে।

Previous Post

মুমূর্ষু বাংলালায়ন

Next Post

ব্যাংকিং খাতে নারী কর্মকর্তার হার কমছে

Next Post
ব্যাংকিং খাতে নারী কর্মকর্তার হার কমছে

ব্যাংকিং খাতে নারী কর্মকর্তার হার কমছে

Discussion about this post

No Result
View All Result

Recent Posts

  • রন ও রিকের ক্রেডিট কার্ড বাতিলের উদ্যোগ
  • ক্রেডিট কার্ডে এত ডলার পাচার হলো কীভাবে
  • ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির পদত্যাগের নেপথ্যে সিকদারদের ক্রেডিট কার্ড
  • অবৈধ ব্যাংকিং বন্ধে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • বড় হচ্ছে ভারী যন্ত্রের ব্যবসা
  • ব্যাংকের সুদ: এক ভুলের মাশুল দিতে আরেক ভুল
Shanaullah Sakib

© 2021 Shanaullah Sakib.

Navigate Site

  • Home
  • Who Am I

Follow Us

No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার

© 2021 Shanaullah Sakib.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In