• Home
  • Who Am I
Wednesday, February 4, 2026
  • Login
Shanaullah Sakib
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
Shanaullah Sakib
No Result
View All Result

কমার্স ব্যাংকের মালিকানায় এস আলম গ্রুপ

admin by admin
February 24, 2016
in বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্যাংকের চলতি ঘটনা, সরকারী ব্যাংক
0
কমার্স ব্যাংকের মালিকানায় এস আলম গ্রুপ

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের প্রায় ৪০ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়েছে চট্টগ্রামভিত্তিক এস আলম গ্রুপ। এরই মধ্যে ব্যাংকটির চার পরিচালক পদেও পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও কমার্স ব্যাংক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, কমার্স ব্যাংকে থাকা মেজর (অব.) আব্দুল মান্নানের ১৫ প্রতিষ্ঠান, এমজিএইচ গ্রুপের আট প্রতিষ্ঠান ও আনোয়ার গ্রুপের মালিকানাধীন সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সসহ ৩৯ প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তির শেয়ার কিনে নিয়েছে এস আলম গ্রুপ। ১০ ও ২২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত কমার্স ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় তা অনুমোদন হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, দুটি পর্ষদ সভায় তিন গ্রুপের হাতে থাকা শেয়ার হস্তান্তরের বিষয়টি অনুমোদন হয়েছে। এরই মধ্যে নতুন পরিচালকও নিয়োগ হয়েছে। ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ অনেক বেশি। আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, নতুন পরিচালক আসায় কমার্স ব্যাংকের অবস্থা ভালো হবে। এস আলম দেশের বড় গ্রুপ, মনে হচ্ছে খারাপ হবে না।

তথ্যমতে, বর্তমানে ব্যাংকটিতে সরকার ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকানা ৫০ দশমিক ৩৩ শতাংশ। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় রয়েছে ৪৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার। সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের শেয়ার রয়েছে ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ, জনতা ব্যাংকের ৩ দশমিক ৩৯, অগ্রণী ব্যাংকের ২ দশমিক ২৬ ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ৫ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। সরকারের শেয়ার ৩৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

বেসরকারি শেয়ারধারীদের মধ্যে মেজর (অব.) আব্দুল মান্নানের সানম্যান গ্রুপের ১৫ প্রতিষ্ঠানের হাতে ছিল ১৮ দশমিক ৯২ শতাংশ। এ গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— সানম্যান সোয়েটার, ড্রেসকো লিমিটেড, পাইওনিয়ার ড্রেস, সানম্যান স্পিনিং, সান গ্লোরী, সানকিট টেক্সটাইল, পেনিনসুলা গার্মেন্টস, সানপ্যাক ইন্ডাস্ট্রিজ, গ্লোরী ইন্ডাস্ট্রিজ, সানম্যান টেক্সটাইল, সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, গোল্ডেন হরাইজন, ডেল্টা ফ্যাশন ও আলফা টেক্সটাইল। এছাড়া আনোয়ার গ্রুপের মালিকানাধীন সিটি জেনালের ইন্স্যুরেন্স ও এমজিএইচ গ্রুপের আট প্রতিষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য শেয়ার ছিল ব্যাংকটিতে। পাশাপাশি ছিলেন কয়েকজন ব্যক্তি শেয়ারহোল্ডারও।

কমার্স ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের শুরুতে ব্যাংকটিতে থাকা বেসরকারি সব শেয়ার কেনার সিদ্ধান্ত নেয় এস আলম গ্রুপ। এর অংশ হিসেবে চলতি মাসেই ব্যাংকটিতে চার পরিচালক পদে পরিবর্তন আসে। এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এ এম জাকারিয়া পরিচালক হয়েছেন ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের পক্ষে, চট্টগ্রাম আইসিএবির সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. শফিকুল ইসলাম পরিচালক হয়েছেন সিটি জেনালের ইন্স্যুরেন্সের পক্ষে, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হানিফ চৌধুরী পরিচালক হয়েছেন সান ফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পক্ষে এবং মো. আরশাদ পরিচালক হয়েছেন সানপ্যাক ইন্ডাস্ট্রিজের পক্ষে। বাংলাদেশ ব্যাংকও এসব পরিচালক নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।

এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ লাবু বলেন, ‘ব্যাংকটি তো শেষের পথে, তাই প্রপার ম্যানেজমেন্ট দিয়ে ব্যাংকটিকে ঠিক করার জন্য শেয়ার কেনা হয়েছে। তবে ব্যাংকটিকে ঠিক করা চ্যালেঞ্জিং কাজ, দেখা যাক কতটা ঠিক করা যায়।’

এস আলম গ্রুপ ও ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ৩৯ ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০ শতাংশ শেয়ার এরই মধ্যে এস আলম গ্রুপের ১২ প্রতিষ্ঠানের নামে হস্তান্তর হয়েছে, যা ব্যাংকটির পর্ষদেও অনুমোদন হয়েছে। বাকি বেসরকারি শেয়ার হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। অনুমোদিত হস্তান্তরিত শেয়ার রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসের (আরজেএসসি) কার্যালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পুরো বেসরকারি শেয়ার চূড়ান্ত হস্তান্তরের পর নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত চার পরিচালককে এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে নিয়োগ দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে অবলুপ্ত বাংলাদেশ কমার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (বিসিআইএল) প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৮৬ সালের ২৭ জানুয়ারি। ১৯৯২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রাখে প্রতিষ্ঠানটি। তারল্য সংকটে পড়লে ১৯৯২ সালের একই মাসে এর কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়। এতে আমানতকারী ও ব্যাংকের কর্মীরা বিপাকে পড়ে আন্দোলনে নামেন। পরে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশ কমার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড (বিসিবিএল) হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। সাবেক বিসিআইএলের ২৪টি শাখাকে পুনর্গঠনপূর্বক বিসিবিএলের পূর্ণাঙ্গ শাখা হিসেবে চালু করা হয়। একটি তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড ১৯৯৯ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর যাত্রা করে। ২০০৪ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকায় প্রবলেম ব্যাংক হিসেবে চিহ্নিত এটি। ব্যাংকটিতে পর্যবেক্ষকও নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

 

Tags: #private bank Bangladeshbank corruption
Previous Post

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার আমানত ঘিরে গড়ে উঠেছে বড় চক্র

Next Post

বাংলাদেশ থেকে অর্থের অবৈধ প্রবেশ তদন্তে ফিলিপাইন

Next Post

বাংলাদেশ থেকে অর্থের অবৈধ প্রবেশ তদন্তে ফিলিপাইন

Discussion about this post

No Result
View All Result

Recent Posts

  • রন ও রিকের ক্রেডিট কার্ড বাতিলের উদ্যোগ
  • ক্রেডিট কার্ডে এত ডলার পাচার হলো কীভাবে
  • ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির পদত্যাগের নেপথ্যে সিকদারদের ক্রেডিট কার্ড
  • অবৈধ ব্যাংকিং বন্ধে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • বড় হচ্ছে ভারী যন্ত্রের ব্যবসা
  • ব্যাংকের সুদ: এক ভুলের মাশুল দিতে আরেক ভুল
Shanaullah Sakib

© 2021 Shanaullah Sakib.

Navigate Site

  • Home
  • Who Am I

Follow Us

No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার

© 2021 Shanaullah Sakib.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In