• Home
  • Who Am I
Wednesday, February 4, 2026
  • Login
Shanaullah Sakib
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
Shanaullah Sakib
No Result
View All Result

ডলার ধরে রাখতে চাইছে না বাণিজ্যিক ব্যাংক== রিজার্ভ ফের ১২ বিলিয়নের ধারে

admin by admin
December 11, 2012
in বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্যাংকের চলতি ঘটনা
0
বাংলাদেশ ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ১২ বিলিয়ন ডলারের (১ হাজার ২০০ কোটি) কাছাকাছি পৌঁছেছে। গতকাল সোমবার রিজার্ভের পরিমাণ ১১ দশমিক ৯৯৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে। ডলারের মূল্য কমতে থাকায় কোনো ব্যাংকই তা ধরে রাখতে চাইছে না। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রতিদিন ডলার কিনতে হচ্ছে। ফলে রিজার্ভ বাড়ছে।
জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম আমিনুর রহমান বলেন, ‘সরবরাহ বেশি ও চাহিদা কম থাকায় ডলারের মূল্য কমছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমঝোতা অনুযায়ী ১৫ শতাংশের বেশি ঋণ প্রবৃদ্ধি হতে পারে না। ফলে আমরা নতুন করে কোনো প্রকল্পে অর্থায়ন করতে পারছি না। মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানিও কমেছে। এসব কারণে ডলারের দাম কমে যাচ্ছে।’ তবে এ প্রবণতা থাকবে না বলে তিনি মনে করেন।
জানা যায়, গতকাল সকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ১১ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার। প্রতি ডলারের মূল্য ছিল ৮০ টাকা ৯৫ পয়সা থেকে ৮১ টাকার মধ্যে। দিন শেষে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ডলার কেনার পর তা দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৯৯৫ বিলিয়ন ডলার। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ৮১০ মিলিয়ন ডলার ধারণক্ষমতা থাকলেও ধারণ করছে ২০০ মিলিয়নের মতো। এ জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার কেনার হার বাড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত জুলাইয়ে রেমিট্যান্স আসে ১২০ কোটি ১০ লাখ ডলার, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে ১১৭ কোটি ৮০ লাখ, অক্টোবরে ১৪৫ কোটি ৩০ লাখ ও নভেম্বরে ১০৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার। চলতি মাসে এ ধারা অব্যাহত রয়েছে, যা রিজার্ভ ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
ব্যাংকাররা বলছেন, যে হারে রেমিট্যান্স আসছে, সে হারে ঋণপত্র খোলার চাহিদা থাকছে না। ফলে প্রতিদিন ব্যাংকগুলো ডলার বিক্রির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ধরনা দিচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও টাকা দিয়ে ডলার কিনছে। বর্তমানে ডলারের মূল্য কমতে থাকায় কোনো ব্যাংকই তা ধরে রাখতে চাইছে না। এ ছাড়া ফার্নেস অয়েল আমদানি করা হচ্ছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে। ফলে ডলারের কোনো চাহিদাই নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, ডলার ধরে রাখলে ক্ষতিতে পড়তে হচ্ছে। তা বিক্রি করে কলমানিতে ব্যবসা করলেও সাত-আট শতাংশ মুনাফা করা যায়। এ ছাড়া না বুঝে কোনো ঋণপত্র খুলছে না ব্যাংকগুলো। বছরের শেষ সময় হওয়ায় অর্থ আদায়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
Tags: Dollar
Previous Post

সোনালী ব্যাংকে অর্থ কেলেঙ্কারী –হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতিতে পড়তে যাচ্ছে ব্যাংক খাত

Next Post

সনাতন পদ্ধতিতে এলসি খোলা বন্ধ — চালু হয়েছে সুইফট কোড

Next Post

সনাতন পদ্ধতিতে এলসি খোলা বন্ধ -- চালু হয়েছে সুইফট কোড

Discussion about this post

No Result
View All Result

Recent Posts

  • রন ও রিকের ক্রেডিট কার্ড বাতিলের উদ্যোগ
  • ক্রেডিট কার্ডে এত ডলার পাচার হলো কীভাবে
  • ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির পদত্যাগের নেপথ্যে সিকদারদের ক্রেডিট কার্ড
  • অবৈধ ব্যাংকিং বন্ধে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • বড় হচ্ছে ভারী যন্ত্রের ব্যবসা
  • ব্যাংকের সুদ: এক ভুলের মাশুল দিতে আরেক ভুল
Shanaullah Sakib

© 2021 Shanaullah Sakib.

Navigate Site

  • Home
  • Who Am I

Follow Us

No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার

© 2021 Shanaullah Sakib.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In