• Home
  • Who Am I
Wednesday, February 4, 2026
  • Login
Shanaullah Sakib
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
Shanaullah Sakib
No Result
View All Result

ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির পদত্যাগের নেপথ্যে সিকদারদের ক্রেডিট কার্ড

একাধিক চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানতে চেয়েছে, কেন জরিমানা করা হবে না। এর জেরে ব্যাংকটির এমডিকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়।

admin by admin
December 1, 2021
in বাংলাদেশ ব্যাংক, বেসরকারী ব্যাংক, ব্যাংক দুর্নীতি
0

ন্যাশনাল ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে প্রায় ৩০ লাখ ডলার (প্রায় ২৫ কোটি টাকা) খরচ করেছেন এর অন্যতম মালিক সিকদার পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু সেই খরচের (ঋণ) তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরোতে (সিআইবি) জমা দেয়নি ন্যাশনাল ব্যাংক। এর পরিপ্রেক্ষিতে একাধিক চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানতে চেয়েছে, কেন ন্যাশনাল ব্যাংককে জরিমানা করা হবে না। এর সূত্র ধরেই সিকদার পরিবার ব্যাংকটির এমডিকে পদত্যাগে বাধ্য করেছে বলে জানা গেছে।

এমডিকে পদত্যাগে বাধ্য করার ক্ষেত্রে মৌখিকভাবে সমর্থন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি পক্ষ। ফলে এমডিদের পদত্যাগে যে নিয়ম রয়েছে, তা মানতে হয়নি ন্যাশনাল ব্যাংককে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন জয়নুল হক সিকদার। তিনি মারা যাওয়ায় পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তাঁর স্ত্রী মনোয়ারা সিকদার ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন। এ ছাড়া সিকদার পরিবারের একাধিক সদস্য ও সিকদার গ্রুপের একাধিক কর্মকর্তা বর্তমানে এই ব্যাংকের পরিচালক। তাঁরাই ব্যাংকটি পরিচালনা করছেন।

জানা যায়, চলতি বছরের মাঝামাঝিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট (এফআইসিএসডি) কয়েকটি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কোনো ধরনের অনিয়ম ও অর্থ পাচার হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা যান ন্যাশনাল ব্যাংকে। তাঁরা ব্যাংকটির নথিপত্রে না পেলেও কার্ডের লেনদেন পর্যবেক্ষণ করে নিশ্চিত হন যে সিকদার পরিবারের একাধিক সদস্য চার-পাঁচটি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করছেন। এসব কার্ডের মাধ্যমে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার খরচের প্রমাণ পাওয়া যায়, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২৫ কোটি টাকার মতো। কিন্তু ব্যাংকের নথিপত্রে এই খরচের কোনো হিসাব নেই। বিষয়টি সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরোতেও (সিআইবি) রিপোর্ট করা হয়নি। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কোনো ঋণ হলেই তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআইবিতে রিপোর্ট করতে হয়।

ন্যাশনাল ব্যাংক ঋণের তথ্য জানানোর নিয়ম না মানায় ১৫ নভেম্বর তাদের একাধিক চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআইবি। এসব চিঠিতে বলা হয়, নিয়ম অনুযায়ী সব ঋণের তথ্য সম্পর্কে পরবর্তী মাসের ২০ তারিখের মধ্যে সিআইবিতে রিপোর্ট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এরপরও গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার ও রিপ্লেসমেন্ট কার্ডের বিষয়ে রিপোর্ট করা হয়নি, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার পরিপন্থী ও জরিমানা আরোপযোগ্য অপরাধ।

বাংলাদেশ ব্যাংক যাঁদের বিষয়ে চিঠি দিয়েছে, তাঁদের বেশির ভাগের নামেই একাধিক কার্ড রয়েছে। যেমন রন হক সিকদারের নামে পাঁচটি, রিক হক সিকদারের পাঁচটি কার্ড, রিক হক সিকদারের ছেলে জন হক সিকদারের দুটি, মমতাজুল হকের চারটি কার্ড রয়েছে। মনিকা সিকদার খানের নামে রয়েছে একটি কার্ড। মনিকা সিকদার খান হলেন নাসিম হক সিকদারের মেয়ে, আবার নাসিম হক সিকদার প্রয়াত জয়নুল হক সিকদারের মেয়ে। আর রন হক সিকদার, রিক হক সিকদার ও মমতাজুল হক হলেন প্রয়াত জয়নুল হক সিকদারের ছেলে। এর বাইরে সিকদার গ্রুপের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) সৈয়দ কামরুল ইসলামের নামেও রয়েছে তিনটি কার্ড।

চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার সকালে ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক রন হক সিকদার ও সিকদার গ্রুপের কর্মকর্তা সৈয়দ কামরুল ইসলাম কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গিয়ে একজন ডেপুটি গভর্নরের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়, এমডি শাহ সৈয়দ আবদুল বারীকে সরিয়ে ব্যাংকের সাবেক অতিরিক্ত এমডি আবদুল হামিদ মিয়াকে পরামর্শক বা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে। তাহলেই ক্রেডিট কার্ডের জরিমানার বিষয়টি সুরাহা হবে।

এরপরই পরিচালক রন হক সিকদার বনানীর সিকদার হাউসে ফিরে এমডিকে ডেকে পদত্যাগে বাধ্য করেন। সেদিনই এমডি পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয় সৈয়দ রইস উদ্দিনকে। এমডিকে নির্দিষ্ট সময়ের আগে পদত্যাগ করতে হলে কমপক্ষে এক মাস আগে নোটিশ দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অবহিত করার বিধান রয়েছে।

এ নিয়ে চেষ্টা করেও শাহ সৈয়দ আবদুল বারীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আর সৈয়দ রইস উদ্দিন গতকাল শনিবার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি বৃহস্পতিবার এমডি পদে যোগ দিয়েছি। ক্রেডিট কার্ডের বিষয়টি আমার জানা নেই।’

এদিকে ন্যাশনাল ব্যাংকের একটি সূত্র জানিয়েছে, আবদুল হামিদ মিয়া যোগদান না করলেও ব্যাংকটিতে কাজ শুরু করেছেন। তিনি আগে প্রিমিয়ার লিজিংয়ের এমডি ছিলেন। তবে আবদুল হামিদ মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি ব্যাংকে গিয়েছিলাম আমার নিজের কার্ডের বিষয়ে খবর নেওয়ার জন্য। ন্যাশনাল ব্যাংকে যোগ দেওয়ার পরেই কাজ শুরু করব।’

গত দেড় দশকে ব্যাংকটির বেশির ভাগ এমডিই পর্ষদের চাপে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। যে কারণে ২০১৪ সালে ব্যাংকটিতে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

সাবেক ব্যাংকার সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কঠিন হাতে এসব দমন করতে হবে। একটার পর একটা ব্যাংকে বড় বড় অনিয়ম হচ্ছে। অথচ কারও শাস্তিই হচ্ছে না।

Previous Post

অবৈধ ব্যাংকিং বন্ধে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

Next Post

ক্রেডিট কার্ডে এত ডলার পাচার হলো কীভাবে

Next Post

ক্রেডিট কার্ডে এত ডলার পাচার হলো কীভাবে

Discussion about this post

No Result
View All Result

Recent Posts

  • রন ও রিকের ক্রেডিট কার্ড বাতিলের উদ্যোগ
  • ক্রেডিট কার্ডে এত ডলার পাচার হলো কীভাবে
  • ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির পদত্যাগের নেপথ্যে সিকদারদের ক্রেডিট কার্ড
  • অবৈধ ব্যাংকিং বন্ধে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • বড় হচ্ছে ভারী যন্ত্রের ব্যবসা
  • ব্যাংকের সুদ: এক ভুলের মাশুল দিতে আরেক ভুল
Shanaullah Sakib

© 2021 Shanaullah Sakib.

Navigate Site

  • Home
  • Who Am I

Follow Us

No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার

© 2021 Shanaullah Sakib.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In