• Home
  • Who Am I
Sunday, February 1, 2026
  • Login
Shanaullah Sakib
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
Shanaullah Sakib
No Result
View All Result

রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক তিন মাসে লোকসানি শাখা বেড়েছে ১৭৫টি

admin by admin
July 6, 2015
in ব্যাংকের চলতি ঘটনা
0

রূপালী ব্যাংকের রাজধানীর নয়া পল্টন করপোরেট শাখা। ২০১৪ সালেও মুনাফায় ছিল শাখাটি। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ এ তিন মাসেই শাখাটি লোকসান গুনেছে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। লাভজনক থেকে লোকসানিতে পরিণত হয়েছে চট্টগ্রামে (পশ্চিম) ব্যাংকটির জাহান বিল্ডিং শাখাও। এভাবে মার্চ শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংকেরই লোকসানি শাখা আটটি থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬টিতে।

একই অবস্থা রাষ্ট্রায়ত্ত অন্য তিন বাণিজ্যিক ব্যাংকেরও। চলতি বছরের মার্চ শেষে সোনালী ব্যাংকের লোকসানি শাখা ৩১ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭টিতে। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংকের লোকসানি শাখা ২২ থেকে বেড়ে হয়েছে ৮৬টি ও জনতা ব্যাংকের ৬০ থেকে ৯৫টি। সব মিলিয়ে মার্চ শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত চার বাণিজ্যিক ব্যাংকের লোকসানি শাখা ১২১ থেকে বেড়ে হয়েছে ২৯৬টি। অর্থাৎ তিন মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত চার বাণিজ্যিক ব্যাংকের লোকসানি শাখা বেড়েছে ১৭৫টি।

লোকসানিতে চলে যাওয়া একাধিক শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৪ সালভিত্তিক হিসাবে অনেক মন্দ ঋণ নবায়ন করে ভালো দেখানো হয়। ঋণের আদায়ও দেখানো হয় ভালো। এ কারণে প্রকৃত চিত্র প্রকাশ হয়নি। তবে মার্চভিত্তিক হিসাবে কোনো কৌশল অবলম্বন না করায় শাখাগুলোর প্রকৃত অবস্থা বেরিয়ে এসেছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ সময়ে লোকসানি শাখা সবচেয়ে বেশি বেড়েছে অগ্রণী ব্যাংকের। তিন মাসেই ব্যাংকটির এ ধরনের শাখা বেড়েছে ৬৪টি।

অগ্রণী ব্যাংকের পর সবচেয়ে বেশি লোকসানি শাখা বেড়েছে সোনালী ব্যাংকের। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ এ তিন মাসে ব্যাংকটির লোকসানি শাখা বেড়েছে ৪৬টি। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার দত্ত দেশের বাইরে থাকায় এ নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

আলোচ্য সময়ে রূপালী ব্যাংকের লোকসানি শাখা বেড়েছে ২৮টি। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফরিদ উদ্দিন এ প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে বলেন, ডিসেম্বরে হিসাবায়ন হয় পুরো বছরের। আর মার্চের হিসাবায়ন মাত্র তিন মাসের। অনেক শাখায় ঋণের চেয়ে আমানতের পরিমাণ বেশি। এসব আমানতের বিপরীতে সুদ দিতেই হয়। এ কারণে তিন মাসের হিসাবে লোকসানি শাখা বেড়ে গেছে। তবে বছর শেষে দুটি ছাড়া সব শাখাই মুনাফায় ফিরবে।

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ সময়ে জনতা ব্যাংকের লোকসানি শাখা বেড়েছে ৩৫টি। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আব্দুস সালাম এ বিষয়ে বলেন, বছরের শেষ দিকে ঋণ আদায় ও নিয়মিতকরণের চাপ থাকে। এতে মুনাফাও বেড়ে যায়। বছরের প্রথম তিন মাসে তেমন কার্যক্রম থাকে না। এ কারণে খেলাপি শাখার সংখ্যা বেড়ে গেছে।

সরকারের সঙ্গে ব্যাংকগুলোর চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৫ সালের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের লোকসানি শাখা ৩৫ ও ২০১৬ সালের মধ্যে ৩০টিতে নামিয়ে আনার কথা। অগ্রণী ব্যাংক ২০১৫ সালের মধ্যে লোকসানি শাখা ১৫ ও ২০১৬ সালের মধ্যে ১০টিতে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। একইভাবে জনতা ব্যাংক ২০১৫ সালের মধ্যে লোকসানি শাখা ৩৫ ও ২০১৬ সালের মধ্যে ৩০টি এবং রূপালী ব্যাংক ২০১৫ সালের মধ্যে এ ধরনের শাখা ১৫ ও ২০১৬ সালের মধ্যে ১০টিতে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

লোকসানি শাখার পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের খেলাপি ঋণও বেড়ে গেছে। ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ডিসেম্বরে ৮ হাজার ২২৪ কোটি টাকা হলেও মার্চে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৩২৩ কোটি টাকা। রূপালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ডিসেম্বরে ১ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা থাকলেও মার্চে এসে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। গত বছরের ডিসেম্বর শেষে জনতা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ছিল ৩ হাজার ২৮৬ কোটি টাকা। মার্চে তা বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা। একইভাবে অগ্রণী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ডিসেম্বরে ৩ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা থাকলেও মার্চ শেষে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১১৬ কোটি টাকায়।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংককে খেলাপি ঋণ ২০ শতাংশে নামিয়ে আনার নির্দেশনা দেয়া হয় ২০১৪ সালে। সোনালী ব্যাংক খেলাপি ঋণ প্রায় ২১ শতাংশে নামিয়ে আনতে পারলেও জনতা ও অগ্রণীর বেড়েছে সাড়ে ৩ শতাংশ। তবে এ সময়ে রূপালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কমে হয়েছে ২২ শতাংশ। ২০১৪ সালে সোনালী ব্যাংক খেলাপিদের কাছ থেকে ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করলেও আদায় করতে পেরেছে ৭৩৮ কোটি টাকা। এছাড়া জনতা ব্যাংক ৮০০ কোটি টাকা পরিকল্পনার বিপরীতে আদায় করেছে ৮৮৫ কোটি, অগ্রণী ১ হাজার কোটি টাকা পরিকল্পনার বিপরীতে ৪৪৫ কোটি ও রূপালীর ১৫০ কোটির টাকার বিপরীতে খেলাপি ঋণ আদায় করেছে ১২৫ কোটি টাকা।

Previous Post

রুগ্ণ হয়ে পড়ছে বিএনপি নেতাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

Next Post

ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড; অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ হচ্ছে প্রধান কার্যালয়

Next Post

ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড; অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ হচ্ছে প্রধান কার্যালয়

Discussion about this post

No Result
View All Result

Recent Posts

  • রন ও রিকের ক্রেডিট কার্ড বাতিলের উদ্যোগ
  • ক্রেডিট কার্ডে এত ডলার পাচার হলো কীভাবে
  • ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির পদত্যাগের নেপথ্যে সিকদারদের ক্রেডিট কার্ড
  • অবৈধ ব্যাংকিং বন্ধে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • বড় হচ্ছে ভারী যন্ত্রের ব্যবসা
  • ব্যাংকের সুদ: এক ভুলের মাশুল দিতে আরেক ভুল
Shanaullah Sakib

© 2021 Shanaullah Sakib.

Navigate Site

  • Home
  • Who Am I

Follow Us

No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার

© 2021 Shanaullah Sakib.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In