• Home
  • Who Am I
Wednesday, February 4, 2026
  • Login
Shanaullah Sakib
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
Shanaullah Sakib
No Result
View All Result

সুবিধা নিয়ে মুনাফায় ১১ ব্যাংক

ব্যাংকগুলোকে প্রভিশন সংরক্ষণে বাংলাদেশ ব্যাংক ১০ বছর পর্যন্ত সময় দিয়েছে। এ কারণে তারা ২০২০ সালে নিট মুনাফা করার সুযোগ পেয়েছে।

admin by admin
August 11, 2021
in বাংলাদেশ ব্যাংক, বেসরকারী ব্যাংক, সরকারী ব্যাংক
0
সুবিধা নিয়ে মুনাফায় ১১ ব্যাংক

  • যথানিয়মে প্রভিশন রাখলে এই ব্যাংকগুলো লোকসানে থাকত।
  • জেনেশুনেই প্রকৃত আর্থিক চিত্র গোপনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

করোনার মধ্যে বিশ্বের বড় ব্যাংকগুলোও চাহিদার তুলনায় বেশি প্রভিশন তথা নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখছে। এ জন্য তাদের নিট মুনাফা কম হচ্ছে। বাংলাদেশেরও অনেক ব্যাংক এই ধারা অনুসরণ করছে। তবে এর বাইরে অন্য চিত্রও রয়েছে। সরকারি-বেসরকারি কমপক্ষে ১১টি ব্যাংককে প্রভিশন সংরক্ষণে ১০ বছর পর্যন্ত সময় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে ব্যাংকগুলো ২০২০ সালে নিট মুনাফা করার সুযোগ পেয়েছে।

সময় পাওয়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে কয়েকটি মালিকপক্ষ ও শেয়ারহোল্ডারদের মুনাফার ভাগ দিয়েছে। অথচ যথানিয়মে প্রভিশন বা নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখলে এই ব্যাংকগুলো লোকসানে থাকত। তাতে বেরিয়ে আসত এসব ব্যাংকের প্রকৃত আর্থিক চিত্র।

প্রসঙ্গত, ব্যাংকগুলোকে খেলাপি ও ভালো উভয় ধরনের ঋণের জন্য প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। ব্যাংকের নিট মুনাফা থেকে অর্থ কেটে প্রভিশন রাখতে হয়।

সঞ্চিতি সংরক্ষণে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে পাঁচটি রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী, রূপালী, অগ্রণী, জনতা ও বেসিক। বেসরকারি ছয় ব্যাংক হলো আইএফআইসি, এবি, ফার্স্ট সিকিউরিটি, সোশ্যাল ইসলামী, ন্যাশনাল ও পদ্মা ব্যাংক।

ব্যাংকাররা বলছেন, করোনার কারণে ঋণ আদায় হয়নি। এর ওপর ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে সুদের হার ৯ শতাংশ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মুনাফা কমবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বেশির ভাগ ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তা ও পরিচালনা পর্ষদ এই বাস্তবতা মানতে চাননি। তাই তাঁরা তদবির করে বিশেষ সুবিধা নিয়ে হলেও মুনাফা ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন।

জানা গেছে, বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা কয়েক বছর ধরেই নাজুক। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ-১ নথিপত্র পর্যালোচনা করে ব্যাংকটিতে ৪ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকা প্রভিশন ঘাটতি বের করেছে, যা হওয়ার নয়। সে জন্য এই ব্যাংককে ৫ হাজার ৪৭ কোটি টাকা সঞ্চিতি সংরক্ষণের জন্য ১০ বছর সময় দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থাৎ ২০২৯ সাল পর্যন্ত প্রতিবছরে ৫০৪ কোটি টাকা করে প্রভিশন সংরক্ষণ করলেই চলবে। এই সুযোগের ফলে ব্যাংকটি ২০২০ সালে ৩৯ কোটি টাকা নিট মুনাফা করে। তার আগের ২০১৯ সালে এই ব্যাংক মুনাফা করেছিল ১৬ কোটি টাকা।

এবি ব্যাংকের উদ্যোক্তা হলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা এম মোরশেদ খান।

আইএফআইসি ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ৩৭৮ কোটি টাকা। ব্যাংকটি চলতি ২০২১ সালে ২০ শতাংশ, ২০২২ সালে ৩০ শতাংশ ও ২০২৩ সালে ৫০ শতাংশ সঞ্চিতি সংরক্ষণের সুযোগ পেয়েছে। এই ব্যাংক ২০২০ সালে ৫৬ কোটি ও ২০১৯ সালে ২৪৪ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। ব্যাংকটিতে ৩২ শতাংশ শেয়ার সরকারের। তবে নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি উদ্যোক্তাদের হাতে।

জানতে চাইলে আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শাহ আলম সারওয়ার বলেন, ‘গত বছরে সুদের হার হঠাৎ কমিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে আমরা সাধারণ আমানতকারীদের সুদের হার সেভাবে কমাইনি। এ কারণে আমাদের আমানতের ৬০ শতাংশই এখন সাধারণ আমানতকারীদের। আমরা দীর্ঘ মেয়াদে ব্যাংকের টেকসই অবস্থান নিশ্চিত করতে কাজ করছি।’

গত বছর ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের ২০০ কোটি টাকা নিরাপত্তা সঞ্চিতি ঘাটতি হয়। ব্যাংকটি চলতি বছরে ১০০ কোটি ও আগামী বছরে ১০০ কোটি টাকা বাড়তি সঞ্চিতি রাখার সুযোগ পেয়েছে। এই ব্যাংকের মালিক এস আলম গ্রুপ। এর চেয়ারম্যান সাইফুল আলম (এস আলম) নিজেই। একই গ্রুপের মালিকানাধীন সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ঘাটতি ছিল ৭৩ কোটি টাকা, যা চলতি বছরে সংরক্ষণ করবে ব্যাংকটি।

এবি, আইএফআইসি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ও সোশ্যাল ইসলামী—এই চার ব্যাংকই গত বছরে শেয়ারধারীদের ৫ শতাংশ স্টক মুনাফা দেয়।

সংকটে থাকা ন্যাশনাল ব্যাংকের সঞ্চিতি ঘাটতি ২ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা। ব্যাংকটি ২০২৪ সাল পর্যন্ত সমহারে তা সংরক্ষণের সুযোগ পেয়েছে। আর পদ্মা (সাবেক ফারমার্স) ব্যাংকের ঘাটতি ১ হাজার ৬৪১ কোটি টাকা। সেটি ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রভিশন সংরক্ষণের সুযোগ পেয়েছে।

অন্যদিকে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে সোনালীর ৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকা ও অগ্রণীর ২ হাজার ৭৯০ কোটি টাকা প্রভিশন ঘাটতি। এই ঘাটতি সংরক্ষণে ব্যাংক দুটি ২০২৩ সাল পর্যন্ত সময় পেয়েছে। আর জনতা ব্যাংকের একার ঘাটতিই ১১ হাজার ৭১৬ কোটি টাকা, যা সংরক্ষণে ২০২২ সাল পর্যন্ত সময় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ছাড়া রূপালী ব্যাংকের ১ হাজার ১০ কোটি টাকা ও বেসিক ব্যাংকের ৩ হাজার ৪১৫ কোটি টাকা ঘাটতি, যা সংরক্ষণে ব্যাংক দুটিকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবশ্য বলেন, প্রকৃত আর্থিক চিত্র ধরলে ও সে অনুযায়ী প্রভিশনিং করলে বেশির ভাগ ব্যাংক লোকসানে চলে যাবে, যা দেশের অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারে খারাপ বার্তা দেবে। এ জন্য জেনেশুনেই প্রকৃত আর্থিক চিত্র গোপনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

Previous Post

ব্যাংকের সুদ: এক ভুলের মাশুল দিতে আরেক ভুল

Next Post

শর্তে আটকা পড়েছে ডিজিটাল ক্ষুদ্রঋণ

Next Post

শর্তে আটকা পড়েছে ডিজিটাল ক্ষুদ্রঋণ

Discussion about this post

No Result
View All Result

Recent Posts

  • রন ও রিকের ক্রেডিট কার্ড বাতিলের উদ্যোগ
  • ক্রেডিট কার্ডে এত ডলার পাচার হলো কীভাবে
  • ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির পদত্যাগের নেপথ্যে সিকদারদের ক্রেডিট কার্ড
  • অবৈধ ব্যাংকিং বন্ধে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • বড় হচ্ছে ভারী যন্ত্রের ব্যবসা
  • ব্যাংকের সুদ: এক ভুলের মাশুল দিতে আরেক ভুল
Shanaullah Sakib

© 2021 Shanaullah Sakib.

Navigate Site

  • Home
  • Who Am I

Follow Us

No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার

© 2021 Shanaullah Sakib.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In