• Home
  • Who Am I
Wednesday, February 4, 2026
  • Login
Shanaullah Sakib
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
Shanaullah Sakib
No Result
View All Result

ব্যাংকে জমছে অলস টাকা

করোনা পরিস্থিতিতে ঋণ চাহিদা কমে গেছে। তবে আমানত আসছে অনেক বেশি। আবার বিল-বন্ডেও চাহিদামতো বিনিয়োগ করতে পারছে না ব্যাংকগুলো।

admin by admin
July 7, 2021
in ব্যাংকের চলতি ঘটনা
0
ব্যাংকে জমছে অলস টাকা
সানাউল্লাহ সাকিব

যাঁরা নিয়মিতভাবে প্রচুর কেনাকাটা ও ঘোরাঘুরি করতেন, তাঁরা খরচের হাত গুটিয়ে রেখেছেন। প্রবাসীরা পর্যাপ্ত পরিমাণে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠাচ্ছেন। তাঁদের পাঠানো ডলার ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে কিনে নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর বিপরীতে নগদ টাকা দিচ্ছে। এভাবে ব্যাংকগুলোতে গচ্ছিত নগদ টাকার পরিমাণ বাড়ছে। আমানতের সুদহার কম হলেও সব টাকাই বিভিন্ন ব্যাংকে জমা হচ্ছে।

কিন্তু বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে সরকারি প্রণোদনার বাইরে ব্যাংকগুলোর তেমন ঋণ বিতরণ হচ্ছে না। কারণ, ব্যবসায়ীরা নতুন বিনিয়োগে যাচ্ছেন না। তাঁরা অনুকূল সময়ের অপেক্ষায় আছেন। ফলে ব্যাংকগুলোতে অলস তারল্যের পরিমাণ বেড়েই চলেছে।

ব্যাংকগুলো এখন জমতে থাকা টাকা সরকারের বিভিন্ন বন্ড ও অন্যান্য ব্যাংকের বন্ডে বিনিয়োগ করে আমানতের খরচ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে সেখানেও চাহিদামতো বিনিয়োগ করতে পারছে না। ঋণের চাহিদা না থাকায় অনেক ব্যাংক ঋণের সুদহার কমিয়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। যদিও সুদের হার কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণের সুদ সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল। আবার অনেক ব্যাংক ঋণের সুদ কমানোর পাশাপাশি আমানতের সুদহারও কমিয়ে আড়াই শতাংশ করেছে। এতে সুদ আয়ের ওপর নির্ভরশীল আমানতকারীদের খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ব্যাংকগুলোও তারল্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে কঠিন সময় পার করছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, করোনার কারণেই ব্যাংক খাতে উপচে পড়া তারল্য পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অর্থনীতির গতি যে শ্লথ হয়ে পড়েছে, এটা তারই ইঙ্গিত। দীর্ঘ মেয়াদে অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

জানতে চাইলে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবুল কাশেম মো. শিরিন প্রথম আলোকে বলেন, সারা বিশ্বে চাহিদা না বাড়লে এই পরিস্থিতি ঠিক হবে না। চাহিদা বাড়লেই কেবল নতুন প্রকল্প হবে, নতুন ঋণ বিতরণ হবে। তখন আমানতের সুদও বাড়বে।

নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকের গচ্ছিত আমানত থেকে ১৭ শতাংশ পরিমাণ অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সিআরআর (নগদ জমা) ও এসএলআর (সংবিধিবদ্ধ জমা) হিসেবে রাখতে হয়। বাকি টাকা ঋণ দিতে পারে ব্যাংকগুলো। ইসলামি ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে এই হার সাড়ে ৯ শতাংশ।

জানা গেছে, গত এপ্রিল শেষে ব্যাংকগুলোতে ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্য ছিল। সেই টাকার একটি বড় অংশ তারা সরকারি বন্ড এবং অন্য ব্যাংকের পারপেচুয়াল বন্ডে বিনিয়োগ করেছে। এরপরও তাদের কাছে ৪০-৪৫ হাজার কোটি টাকার তারল্য অলস পড়ে রয়েছে। গত বছরের জুনে ব্যাংক খাতে তারল্যের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা। এদিকে চাহিদার বেশি সঞ্চয়পত্র বিক্রি হওয়ায় সরকারও এখন বন্ডের মাধ্যমে বেশি টাকা তুলছে না। এ জন্য ব্যাংকগুলোতে অলস টাকা পড়ে থাকছে।

যমুনা ব্যাংকের এমডি মির্জা ইলিয়াস উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ব্যাংকগুলো ভালো ও খারাপ গ্রাহকদের আলাদা ভাগে ভাগ করেছে। ভালো গ্রাহকদের ঋণের সুদ অনেক কমিয়েছে। আবার এসব গ্রাহক ধরতে অন্যান্য ব্যাংক সুদ আরও কমাচ্ছে। এ কারণে আমানতের সুদহার কমছে। তিনি বলেন, এখনো ঋণের চাহিদা আছে, তবে খারাপ গ্রাহকদের। তাই ব্যাংক এখনই ঋণ বাড়ানোর ঝুঁকি নিচ্ছে না। তবে এভাবে চলতে থাকলে একসময় এসব গ্রাহক ঠিকই ঋণ পেয়ে যাবেন।

মির্জা ইলিয়াস আরও বলেন, ব্যাংকে টাকা রয়েছে, তবে কেউ ফেলে রাখেনি। ১ শতাংশের কম সুদ পেলেও কোথাও না কোথাও রেখে দিয়েছে তারা।

ব্যাংকাররা বলছেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পেছনে কয়েকটি সুস্পষ্ট কারণ রয়েছে। যেমন একদিকে প্রবাসী আয়ে উল্লম্ফন চলছে, অন্যদিকে আমদানি গতিহীন হয়ে পড়ছে। গ্রাহকদের মধ্যে খরচ কমে সঞ্চয়ের প্রবণতা বাড়ছে। নতুন প্রকল্প না থাকায় ঋণ বিতরণ সেভাবে বাড়ছে না। ব্যবসায়ীরা এখন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বিদ্যমান ব্যবসাই ধরে রাখায় জোর দিয়েছেন। আবার অনেকেই প্রণোদনার ঋণ নিয়ে পুরোনো দায় শোধ করে চাপ কমানোর চেষ্টা করছেন।

জানা গেছে, বিদায়ী ২০২০-‍২১ অর্থবছরে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত বছরের ১ জুলাই থেকে এ বছরের ২৮ জুন পর্যন্ত প্রবাসীরা মোট ২ হাজার ৪৫৮ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন। এর আগের ২০১৯-২০ অর্থবছরের একই সময়ে তাঁরা পাঠিয়েছিলেন ১ হাজার ৮০৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। এতে দেখা যায়, এক বছরে প্রবাসী আয় ৩৬ শতাংশ বেড়েছে।

সাধারণত ব্যাংকগুলোতে আসা প্রবাসী আয়ের অর্ধেক গ্রাহক তুলে নেন। বাকি অর্থ ব্যাংকগুলো আমদানি খাতে ব্যবহার করে। পাশাপাশি প্রতিটি ব্যাংকের ডলার রাখার একটি সীমা আছে। এর বেশি হলেই তা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিক্রি করে দিতে হয়। করোনার কারণে আমদানি চাহিদা কম থাকায় বিদায়ী অর্থবছরে ব্যাংকগুলো থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ৭৯৪ কোটি ডলার কিনে নেয়। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে ৬৭ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

মার্চভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে পূবালী ব্যাংকে ৮ হাজার ৬০৮ কোটি টাকা, ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকে ৭ হাজার ৭১৫ কোটি টাকা, যমুনা ব্যাংকে ৩ হাজার ১৬৭ কোটি টাকা, ব্যাংক এশিয়ায় ২ হাজার ৭৬৩ কোটি টাকা ও ইস্টার্ণ ব্যাংকে ২ হাজার ২১ কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্য ছিল।

ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের এমডি বলেন, ‘তারল্য ব্যবস্থাপনা এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই আমরা এসএমই ও রিটেইল ঋণে জোর দিয়েছি। এই ঋণের চাহিদা বাড়ছে। এরপর ভালো করপোরেট গ্রাহককে ঋণ দিচ্ছি। বাকি টাকা আমরা বিল-বন্ডে খাটাচ্ছি। তবে চাইলেও ইচ্ছেমতো বিল-বন্ড পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর আমরা অন্য ব্যাংককে টাকা ধার দিচ্ছি (প্লেসমেন্ট), না হলে কলমানিতে খাটাচ্ছি।’

সরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে গত মার্চ পর্যন্ত সোনালীতে ৪৩ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা, অগ্রণীতে ২৩ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা ও জনতায় ১৩ হাজার ১০ কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্য ছিল। ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোতেও ৩০ হাজার ১৭০ কোটি টাকা অতিরিক্ত তারল্য ছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিল ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের (আইবিবিএল) কাছে। এর পেছনেই রয়েছে শাহজালাল ইসলামী ও আল-আরাফাহ্‌ ব্যাংক।

পূবালী ব্যাংকের এমডি শফিউল আলম খান চৌধুরী বলেন, ‘ব্যাংকে ভালো তারল্য আছে। তবে আমরা টাকা এমনিতেই ফেলে রাখছি না। সরকারের বন্ডে বিনিয়োগ করছি। অন্য ব্যাংকের বন্ডও কিনছি। আমানতের খরচ যাতে ওঠে, এই চেষ্টা করে যাচ্ছি আমরা।’ তিনি বলেন, বর্তমানে আমানতের সুদহার অনেক কম। এতে আমানতকারীরা বঞ্চিত হচ্ছেন। ব্যাংকগুলোতে ঋণ প্রস্তাব আসছে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলেই ঋণের চাহিদা বাড়বে।’

Tags: business bangladeshবাংলাদেশ ব্যাংক
Previous Post

গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা থাকবে

Next Post

এটিএম থেকে টাকা তুললে বিকাশ-রকেটে খরচ কম

Next Post
এটিএম থেকে টাকা তুললে বিকাশ-রকেটে খরচ কম

এটিএম থেকে টাকা তুললে বিকাশ-রকেটে খরচ কম

Discussion about this post

No Result
View All Result

Recent Posts

  • রন ও রিকের ক্রেডিট কার্ড বাতিলের উদ্যোগ
  • ক্রেডিট কার্ডে এত ডলার পাচার হলো কীভাবে
  • ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির পদত্যাগের নেপথ্যে সিকদারদের ক্রেডিট কার্ড
  • অবৈধ ব্যাংকিং বন্ধে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • বড় হচ্ছে ভারী যন্ত্রের ব্যবসা
  • ব্যাংকের সুদ: এক ভুলের মাশুল দিতে আরেক ভুল
Shanaullah Sakib

© 2021 Shanaullah Sakib.

Navigate Site

  • Home
  • Who Am I

Follow Us

No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার

© 2021 Shanaullah Sakib.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In