এই কমিটি সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেবে। তারা ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১০৯ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করতে পারবে। এই ধারা অনুযায়ী, ব্যাংক ব্যবসা না হয়েও ব্যাংকিং সেবা দিলে ৭ বছর পর্যন্ত জেল ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করার বিধান রয়েছে। পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তায় এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধও করে দিতে পারবে। এই কমিটি নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশের বিভিন্ন স্থানে গজিয়ে ওঠা অবৈধ প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নির্দেশনা দেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে একজন ডেপুটি গভর্নরের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করতে হবে। এই কমিটিকে ৪৫ দিনের মধ্যে অনুমোদনহীন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা, সমবায় সমিতি, স্থানীয় ঋণদাতা সম্পর্কে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। যদি এমন কোনো প্রতিষ্ঠান পাওয়া যায়, তাহলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তায় তা বন্ধ করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, আদালতের আদেশে ইতিমধ্যে কমিটি গঠিত হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী কমিটি শিগগির কাজ শুরু করবে।
Discussion about this post