• Home
  • Who Am I
Wednesday, January 28, 2026
  • Login
Shanaullah Sakib
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
Shanaullah Sakib
No Result
View All Result

ইসলামী ধারার ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেয়ার উদ্যোগ

admin by admin
June 5, 2013
in ব্যাংকের চলতি ঘটনা
0
ইসলামী ধারার ব্যাংক থেকে ঋণ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামিক ইনভেস্টমেন্ট বন্ড রুলস-২০০৪-এর সংশোধনী তৈরি করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে মালয়েশিয়ার সুকুক ইসলামী বন্ডের আদলে ঋণ গ্রহণের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আমরা এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই সরকার ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারবে।’
জানা গেছে, প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলো সরকারের বিভিন্ন ট্রেজারি বিল ও বন্ডের নিলামে অংশ নেয়, যার মাধ্যমে সরকার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ গ্রহণ করে। তবে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত হওয়ায় এ ধারার ব্যাংকগুলো নিলামে অংশ নেয় না। আবার প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোকে মোট দায়ের ১৯ শতাংশ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখতে হয়, যা সাপ্তাহিক ভিত্তিতে তদারকি হয়। তবে ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলোকে রাখতে হয় সাড়ে ১১ শতাংশ। প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলো বিভিন্ন বিল ও বন্ড জমা হিসেবে দেখাতে পারে, তবে ইসলামী ব্যাংকগুলোকে নগদ টাকা রাখতে হয়। এতেও ছাড় পায় ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো।
সরকার বিভিন্ন বন্ডের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অর্থ নিলে সুদ দেয়। ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো সরাসরি অর্থের ব্যবসা না করে পণ্যের মাধ্যমে ব্যবসা করে। ফলে ইসলামী ব্যাংকগুলো থেকে সরকার ঋণ নিতে পারে না। এ কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ইনভেস্টমেন্ট বন্ড রুলস-২০০৪ সংশোধন করে সুকুক প্রথা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার সুকুকের মাধ্যমে অর্থ আদায় করতে পারবে নির্দিষ্ট প্রকল্পের জন্য। এ প্রকল্পে এসব ব্যাংকের মালিকানা থাকবে। বাণিজ্যিক প্রকল্পের মাধ্যমে আসা অর্থ গ্রহণ করে মালিকানা ছাড়তে পারবে ইসলামী ব্যাংকগুলো। এসব প্রকল্পের মুনাফাও যাবে ঋণ দেয়া ব্যাংকগুলোর কাছে।
১৯৮৩ সালে বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং শুরু হয়। বর্তমানে দেশে আটটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংক, সাতটি প্রচলিত ধারার ব্যাংকের ইসলামী ব্যাংকিং শাখা এবং আরো ছয়টি সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের শাখায় ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো চালু রয়েছে। ২০১২ সালে দেশের সাড়ে সাত শতাধিক ইসলামী ব্যাংকিং শাখায় মোট আমানত ছিল প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা এবং মোট বিনিয়োগ ৯৬ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা। ২০১৩ সালের মার্চ শেষে দেশের ইসলামী ব্যাংকগুলোর বাজার শেয়ার বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৩ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংক খাতের ২৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে ইসলামী ব্যাংকগুলো।
Tags: current issue of banksবাংলাদেশ ব্যাংক
Previous Post

উঠে আসছেন না নারী উদ্যোক্তা

Next Post

আইএমএফের মূল্যায়ন; রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অধোগতি আর্থিক খাতকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে

Next Post

আইএমএফের মূল্যায়ন; রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অধোগতি আর্থিক খাতকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে

Discussion about this post

No Result
View All Result

Recent Posts

  • রন ও রিকের ক্রেডিট কার্ড বাতিলের উদ্যোগ
  • ক্রেডিট কার্ডে এত ডলার পাচার হলো কীভাবে
  • ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির পদত্যাগের নেপথ্যে সিকদারদের ক্রেডিট কার্ড
  • অবৈধ ব্যাংকিং বন্ধে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • বড় হচ্ছে ভারী যন্ত্রের ব্যবসা
  • ব্যাংকের সুদ: এক ভুলের মাশুল দিতে আরেক ভুল
Shanaullah Sakib

© 2021 Shanaullah Sakib.

Navigate Site

  • Home
  • Who Am I

Follow Us

No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার

© 2021 Shanaullah Sakib.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In