• Home
  • Who Am I
Wednesday, February 4, 2026
  • Login
Shanaullah Sakib
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
Shanaullah Sakib
No Result
View All Result

বেসরকারি ব্যাংকিং ইতিহাসে মুনাফায় রেকর্ড ধস

admin by admin
November 17, 2013
in বেসরকারী ব্যাংক, ব্যাংকের চলতি ঘটনা
0

বেসরকারি ব্যাংকিং ইতিহাসে মুনাফায় রেকর্ড ধস

শেয়ারাবাজারে দীর্ঘ মন্দা, সেই সঙ্গে আবাসনশিল্পে ধস। একের পর এক খেলাপি হয়ে যাচ্ছেন চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা। সঙ্গে যোগ হয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা। নতুন ঋণনীতিমালার পাশাপাশি ব্যবস্থাপনায়ও রয়েছে দুর্বলতা। এসবের প্রভাব পড়েছে দেশের ব্যাংকিং খাতে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে খাতটির মুনাফা কমেছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৭ শতাংশ।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩০ ব্যাংকের প্রথম নয় মাসের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ২১টি ব্যাংকের মুনাফাই আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে কমেছে। সার্বিকভাবে খাতটির মুনাফা সংকোচনের হার ৪৭ দশমিক ১৫ শতাংশ। বেসরকারি ব্যাংকের ৩০ বছরের ইতিহাসে মুনাফায় এমন ধস এই প্রথম বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
এদিকে তৃতীয় প্রান্তিক শেষে (সেপ্টেম্বর) বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ে এ হার ছিল ১৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ। সেপ্টেম্বর শেষে বেসরকারি খাতে ঋণের পরিমাণ ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা, গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৭ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর মোহাম্মদ এ (রুমী) আলী এ প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে বলেন, ঋণপ্রবাহ কমে গেছে, ঋণের নতুন নীতিমালা কার্যকর হয়েছে, শেয়ারবাজারেও মন্দা যাচ্ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি অনেক ব্যাংক আছে, যারা মন্দ গ্রাহককে অর্থায়ন করেছে। এসব কারণে পুরো খাতের মুনাফা কমে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে মুনাফা আরো কমে আসবে।
পুরো খাতের মুনাফা কমে যাওয়ার জন্য একক কোনো কারণ নেই। একেক ব্যাংকের মুনাফা কমেছে একেক কারণে— এমনটাই মনে করেন আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম সারওয়ার। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা ঋণ বিকেন্দ্রীকরণ করতে পেরেছে, তারা কিছুটা রক্ষা পেয়েছে। চট্টগ্রামের বড় ব্যবসায়ীদের খেলাপি হয়ে যাওয়া ও আবাসন খাতে ধসের কারণে ব্যাংকের মুনাফা কমেছে। ব্যাংকের মুনাফা মূলত নির্ভর করবে পোর্টফোলিও কমপোজিশনের ওপর। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে প্রতিটি ব্যাংকের দু-তিনটি হিসাবে দুর্ঘটনা হতে পারে। তবে মুনাফা কমার জন্য এটাই একমাত্র কারণ নয়।
একদিকে ঋণমান ভালো না হওয়ায় ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা পরিপালন করতে গিয়েও বড় অঙ্কের সঞ্চিতি সংরক্ষণ করতে হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে অধিকাংশ ব্যাংকের মুনাফায়। এছাড়া সরকারের শেষ সময়টাও ব্যাংকিং খাতকে প্রভাবিত করছে বলে মনে করেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদ ওসমান ইমাম বলেন, সার্বিকভাবে ব্যাংকিং খাতের অবস্থা ভালো নয়। আর সব সরকারেরই শেষ বছরে বড় ঋণগ্রহীতারা ব্যাংকিং খাত থেকে সুযোগ গ্রহণের চেষ্টা করেন।
রাজনৈতিক এ সুবিধার কারণে ব্যাংকিং খাতে নন-পারফরমিং লোন (এনপিএল) বেড়ে যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিমালাও খাতটির মুনাফা কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে।
জানা গেছে, খেলাপি ঋণ সবচেয়ে বেশি বাড়ছে চট্টগ্রামে। সেখানকার জাহাজ ভাঙা, পণ্য আমদানি ও স্টিল রিরোলিং খাতে দেয়া ঋণই বেশি খেলাপি হচ্ছে। গত জুন শেষে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ১০ হাজার ৮০০ কোটি টাকা; গত বছরের ডিসেম্বরে যা ছিল ৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল আমিন জানান, ব্যবসার অনুকূল পরিস্থিতির অভাবে কোম্পানিগুলোর ভালো করতে পারছে না। অনেকে গ্রহীতাই তাই সময়মতো ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হচ্ছেন। ফলে খেলাপি ঋণও বেড়ে যাচ্ছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে ব্যাংকিং খাতের মুনাফায়।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বেসরকারি খাতের শীর্ষ ব্যাংকগুলোই মূলত বেশি সংকটে পড়েছে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে ন্যাশানাল ব্যাংকের লোকসান হয়েছে ৩৮৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা। অথচ আগের বছরের একই সময়ে ব্যাংকটি মুনাফা করেছিল ১২০ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এ সময়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে থাকা ব্যাংকও এটিই। প্রথম নয় মাসে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪২৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা; মোট বিতরণ করা ঋণের যা প্রায় ১৬ দশমিক ৬১ শতাংশ। নূরজাহান, সিদ্দিক ট্রেডার্স, জিএমজি এয়ারলাইনসসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অর্থায়নই মূলত ব্যাংকটির জন্য এ সংকট ডেকে এনেছে। চট্টগ্রামের নূরজাহান গ্রুপের কাছে ন্যাশনাল ব্যাংকের পাওনা দাঁড়িয়েছে ৮১৩ কোটি টাকা। এর বিপরীতে জামানত রয়েছে ৪০০ কোটি টাকার জমি। গ্রুপের মেরিন ভেজিটেবল অয়েল ও নূরজাহান সুপার অয়েলের কাছে এ পাওনা দীর্ঘদিনের। চট্টগ্রামের সিদ্দিক ট্রেডার্সও ব্যাংকটি থেকে অর্থ নিয়ে আর পরিশোধ করেনি। অন্যদিকে বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠান জিএমজি এয়ারলাইনসের কাছে ব্যাংকটির পাওনা ৩১৪ কোটি টাকা, দীর্ঘদিন ধরে যা অনাদায়ী। এ ঋণের বিপরীতে কোনো জামানতও নেই। তবে বেক্সিমকো গ্রুপের করপোরেট গ্যারান্টি রয়েছে।
বেসরকারি খাতে সবচেয়ে বড় ইসলামী ব্যাংকের মুনাফা আগের বছর একই সময়ের চেয়ে কমেছে ৬১ দশমিক ৫৯ শতাংশ বা ৩১০ কোটি ৯৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে ব্যাংকটির মুনাফা হয় ১৯৩ কোটি ৯৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫০৪ কোটি ৮৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রথম নয় মাসে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৭৮৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা; মোট বিতরণ করা ঋণের যা প্রায় ৭ দশমিক ১ শতাংশ। চট্টগ্রামের কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান সময়মতো ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় বড় অঙ্কের সঞ্চিতি সংরক্ষণ করতে হয়েছে ব্যাংকটিকে। চলতি প্রান্তিকেও আনন্দ শিপইয়ার্ডের ঋণের বিপরীতে বড় অঙ্কের সঞ্চিতি সংরক্ষণ করতে হবে ইসলামী ব্যাংককে।
এ খাতের আরেক শীর্ষ ব্যাংক প্রাইম ব্যাংকের মুনাফা কমেছে ৭৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ। প্রথম নয় মাসে ব্যাংকটির মুনাফা হয় ৪৩ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২১২ কোটি ৯১ লাখ ১০ হাজার টাকা। এ সময় ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ হাজার ৯৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা, বিতরণ করা ঋণের যা ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। বিসমিল্লাহ গ্রুপের ঋণ কেলেঙ্কারি, কয়েকটি বড় গ্রুপের সময়মতো ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতাই ব্যাংকটির মুনাফা কমে যাওয়ার কারণ বলে জানা গেছে। তবে ব্যাংকটি বর্তমানে করপোরেট অর্থায়নের পরিবর্তে এসএমই অর্থায়নে বেশি মনোযোগী হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে এক্সিম ব্যাংকের মুনাফা হয় ১ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার টাকা, আগের বছর একই সময় যা ছিল ১১৩ কোটি ২৭ লাখ ১০ হাজার টাকা। এ হিসাবে আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির মুনাফা কমেছে ৯৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ সময়ে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ হাজার ৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা, বিতরণ করা ঋণের যা ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ। ব্যাংকটির ধানমন্ডি শাখা ও চট্টগ্রামের কয়েকজন বড় গ্রাহকের কারণে বেকায়দায় পড়েছে ইসলামী ধারার এ ব্যাংক।
প্রিমিয়ার ব্যাংকের লোকসানের পরিমাণ ১১৩ কোটি ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আগের বছরের একই সময় লোকসান ছিল ৩৭৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা। অর্থাৎ এবারো ব্যাংকটি লোকসান থেকে বেরোতে পারেনি, তবে কমে এসেছে। সেপ্টেম্বর হিসাবে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭২৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা, বিতরণ করা ঋণের যা ১৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ। গত বছরের ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণ গোপন করে ব্যাংকটি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্তে ধরা পড়ার পর নিয়মমতো ঋণ শ্রেণীকরণ করার নির্দেশ দেয়া হয়। নিয়ম ভেঙে আগ্রাসী বিনিয়োগই মূলত বিপাকে ফেলেছে ব্যাংকটিকে।
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের মুনাফা কমেছে ৪১ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এ সময় ব্যাংকটির মুনাফা হয় ৮৩ কোটি ৫৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আগের বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১৪৩ কোটি ৭৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ সময় ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৪৯৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের ৫ দশমিক ৮১ শতাংশ।
যমুনা ব্যাংকের মুনাফা কমেছে ৬৫ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির মুনাফা হয়েছে ২৬ কোটি ৪০ লাখ ৭০ হাজার টাকা; আগের বছরের প্রথম নয় মাসে যার পরিমাণ ছিল ৭৭ কোটি ৬২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। সেপ্টেম্বর হিসাবে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬০৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা, বিতরণ করা ঋণের যা ৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এছাড়া সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ৫৮ দশমিক ৯, মিউচুয়াল ট্রাস্টের ১২৭ দশমিক ৮২, ট্রাস্টের ৫১ দশমিক ২৫, ওয়ানের ৫২ দশমিক ৪৭ ও এনসিসি ব্যাংকের ৩৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ মুনাফা কমেছে।
বেসরকারি ব্যাংকের মুনাফায় ধস প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ বলেন, বর্তমানে বিদ্যুৎ সরবরাহ ভালো হলেও দুই বছর আগে এমনটা ছিল। ফলে নতুন কারখানা গড়ে উঠতে পারেনি। উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি কমে গেছে। যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষায় জামায়াতের হরতাল, রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়ে গেছে। আবার নতুন ঋণনীতিমালার কারণেও বেশি সঞ্চিতি সংরক্ষণ করতে হয়েছে। সব মিলিয়ে ব্যাংকিং খাতের মুনাফা কমে গেছে।
এ অবস্থার মধ্যেও তালিকাভুক্ত কয়েকটি ব্যাংকের মুনাফা আগের চেয়ে বেড়েছে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ১১০ দশমিক ৯৭, আইএফআইসির ৭৩ দশমিক ৬৫, ব্যাংক এশিয়ার ১৮০ দশমিক ৪৯ ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ৬৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
সাউথইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সহিদ হোসেন বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক সহিংসতা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অর্থনীতিকে বেশি আঘাত করছে। আগে সহিংসতা থাকলেও শিল্পের প্রবৃদ্ধি কমেনি। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বর্তমানে পণ্য সময়মতো জাহাজীকরণ সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বিদেশীরা অর্ডার কমিয়ে দিয়েছেন। এ কারণেও মুনাফা কমে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে মুনাফা আরো কমবে। ঋণের সুদহারও শিল্পের জন্য ইতিবাচক নয়, আমানতের সুদহার কমালেই ঋণের সুদহার কমানো সম্ভব।
– See more at: http://bonikbarta.com/first-page/2013/11/17/22515#sthash.6fC0TWuN.dpuf

Tags: private bankবাংলাদেশ ব্যাংক
Previous Post

বেক্সিমকো গ্রুপের বিপুল অঙ্কের ঋণ; অর্থ উদ্ধারে অবস্থান নিচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক

Next Post

হতাশ ব্যবসায়ীরা হারিয়ে গেছে সমঝোতার উদ্যোগ

Next Post

হতাশ ব্যবসায়ীরা হারিয়ে গেছে সমঝোতার উদ্যোগ

Discussion about this post

No Result
View All Result

Recent Posts

  • রন ও রিকের ক্রেডিট কার্ড বাতিলের উদ্যোগ
  • ক্রেডিট কার্ডে এত ডলার পাচার হলো কীভাবে
  • ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির পদত্যাগের নেপথ্যে সিকদারদের ক্রেডিট কার্ড
  • অবৈধ ব্যাংকিং বন্ধে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • বড় হচ্ছে ভারী যন্ত্রের ব্যবসা
  • ব্যাংকের সুদ: এক ভুলের মাশুল দিতে আরেক ভুল
Shanaullah Sakib

© 2021 Shanaullah Sakib.

Navigate Site

  • Home
  • Who Am I

Follow Us

No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার

© 2021 Shanaullah Sakib.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In