যমুনা ব্যাংকের চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ শাখায় পরিচালন মুনাফায় ২০০৫ সালে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩২৮ শতাংশ। ২০১০ ও ২০১১ সালে তা হয় ১১৪ শতাংশ। ২০১২ সালে প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ৫৭ শতাংশ। আর ২০১৩ সাল শেষে শাখাটির পরিচালন মুনাফায় প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক হয় প্রায় ১৪ শতাংশ; যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে পুরো ব্যাংকটির পরিচালন মুনাফায়।
এ অবস্থা শুধু যমুনা ব্যাংক নয়, চট্টগ্রামের ভোগ্যপণ্য ও জাহাজ ভাঙা শিল্পে অর্থায়নকারী দ্য সিটি, প্রিমিয়ার, ব্যাংক এশিয়া, অগ্রণী, ঢাকা, মিউচুয়াল ট্রাস্ট, স্ট্যান্ডার্ড, এনসিসি, পূবালী, শাহজালাল, ইস্টার্ন ব্যাংকসহ সরকারি-বেসরকারি ও দেশী-বিদেশী প্রায় সব ব্যাংকেরই একই চিত্র।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বছর দুয়েক আগেও চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের ভোগ্যপণ্য ব্যবসায়ী ও সীতাকুণ্ডের জাহাজ ভাঙা শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীদের কার্যালয়ে গিয়ে বসে থাকতেন বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তারা। তারা অনেককে উদ্বুদ্ধ করতেন ব্যাংকঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে। অধিক মুনাফার আশায় ঝুঁকি বিবেচনায় না নিয়ে শুরু হয় অর্থায়ন। ওই সব অর্থায়নই এখন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্যাংকগুলোর জন্য। নাজুক পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছে বিভিন্ন ব্যাংকের চট্টগ্রাম অঞ্চলের শাখাগুলোকে।
ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস করে আস্থায় নিয়ে অনেক শাখা থেকে সহজ শর্তে ঋণ দেয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে যথাযথ বন্ধকিও রাখা হয়নি। কিন্তু ব্যাংকগুলোর ওই বিশ্বাস ভঙ্গ করে অনেকে ঋণের অর্থ অন্য খাতে সরিয়েছেন। কেউ কেউ ব্যাংকঋণ শিল্প কারখানায় না খাটিয়ে তা দিয়ে জমি কিনেছেন। এতেই সৃষ্টি হয়েছে সমস্যা। অধিকাংশ ঋণগ্রহীতা এখন ব্যাংকঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছেন না। ফলে ব্যাংকগুলো পড়েছে বিপাকে। অর্থায়ন করার ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের ওপর তাদের যে আস্থা ছিল, তাতেও চিড় ধরেছে। অনেকে মনে করেন, এ ধরনের ঘটনা দীর্ঘমেয়াদে চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চট্টগ্রাম বিভাগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিভিন্ন ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ছিল ১১ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকা, যা এ বিভাগে বিতরণ করা মোট ঋণের ১৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ। দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার অজুহাতে এরই মধ্যে চট্টগ্রামের শতাধিক প্রতিষ্ঠান ঋণ নিয়মিত করেছে। ফলে গত ডিসেম্বরে ওই বিভাগে খেলাপি ঋণ দাঁড়ায় মোট বিতরণ করা ঋণের ৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ডিসেম্বরে চট্টগ্রাম বিভাগে ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ছিল ৭ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা, যা এ বিভাগে বিতরণ করা মোট ঋণের ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ। ২০১৩ সালের মার্চে তা বেড়ে হয় ১০ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা (১২ দশমিক ৬৩ শতাংশ)। জুনে তা আরো বেড়ে হয় ১০ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা (১২ দশমিক ৬৯ শতাংশ)। সেপ্টেম্বরে ওই অঞ্চলে ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ আরো বেড়ে দাঁড়ায় ১১ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকা (১৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ)। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ব্যাংকগুলো ঋণ পুনর্গঠন নীতিমালায় ছাড় দেয়ায় গত ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণ ৬ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকায় নেমে আসে। চট্টগ্রামে কয়েকটি ব্যাংকের শাখা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা অনেক চেষ্টা করেও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ঋণের কিস্তি আদায় করতে পারছেন না। ঋণ গ্রহণকারী অনেকে ব্যাংক এড়িয়ে চলছেন, আবার অনেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। ফলে ঋণ আদায় নিয়ে বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছে এখানকার ব্যাংকগুলো।
এ বিষয়ে দ্য সিটি ও ইস্টার্ন ব্যাংকের সাবেক এমডি কে মাহমুদ সাত্তার বলেন, চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা যেভাবে খেলাপি হচ্ছেন, ২০০৮ সালের মন্দায়ও তেমনটি দেখা যায়নি। মনে হচ্ছে, অনেকে এখন ইচ্ছা করে খেলাপি হচ্ছেন। চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের বেশির ভাগেরই ঋণের বিপরীতে পর্যাপ্ত বন্ধকি নেই। তাই এসব অর্থ আদায় হওয়া কঠিন। ব্যাংকগুলোকে এখন সঞ্চিতি সংরক্ষণ করে ঋণ অবলোপন করতে হবে।
চট্টগ্রাম বিভাগে খেলাপি ঋণের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। ব্যাংকটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বিভাগে তাদের বিতরণ করা ঋণের ৪১ শতাংশই (১ হাজার ২১৭ কোটি টাকা) খেলাপি হয়ে গেছে। যদিও এ ব্যাংকের গড় খেলাপি ঋণ মোট বিতরণ করা ঋণের ৩৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ বিষয়ে ব্যাংকটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপমহাব্যবস্থাপক পরিমল কান্তি ভাওয়াল বলেন, মূলত তিনটি প্রতিষ্ঠানের কারণেই খেলাপি ঋণ বেড়ে গেছে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থাও নেয়া হয়েছে। অন্য ঋণগুলো সবই কৃষিঋণ, এগুলো ক্রমান্বয়ে আদায় হবে।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের মেসার্স আনিকা এন্টারপ্রাইজের কাছে তাদের পাওনা ১৩৭ কোটি টাকা। তাছাড়া মেসার্স আব্বাস ট্রেডার্সের কাছে ৩০ কোটি, ইমাম গ্রুপের কাছে ১০০ কোটি ও মেসার্স ইলিয়াছ ব্রাদার্সের কাছে ১০০ কোটি টাকার বেশি পাওনা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগে খেলাপি হয়ে গেছে অগ্রণী ব্যাংকের মোট বিতরণ করা ঋণের ৩৩ শতাংশ (৫৯৭ কোটি টাকা)। স্থানীয় সিদ্দিক ট্রেডার্স কাছে এ ব্যাংকের পাওনা ১৫১ কোটি টাকা। এছাড়া ম্যাক শিপ বিল্ডার্সের কাছে ১১৬ কোটি ও এফঅ্যান্ডএফ শিপ রিসাইক্লিংয়ের কাছে ২৩ কোটি টাকা পাবে অগ্রণী ব্যাংক। এর বাইরে এ বিভাগের ২০ শীর্ষ খেলাপি গ্রাহকের কাছে আটকে আছে ব্যাংকটির প্রায় ২০০ কোটি টাকা। ব্যাংকটি ডিসেম্বর ভিত্তিতে ঋণ অবলোপন করেছে অন্য সময়ের তুলনায় বেশি। এ সময়ে চিটাগাং ইস্পাতের ৭৩ কোটি, একই মালিকের রুবাইয়া ভেজিটেবলের ৮৬ কোটি, নূরজাহান গ্রুপের খালেক অ্যান্ড সন্সের ২০৬ কোটি, নূরজাহান সুপার অয়েলের ২০৬ কোটি ও ইলিয়াছ ব্রাদার্সের ২৬০ কোটি টাকা অবলোপন করা হয়েছে। এর পরও খেলাপি ঋণ রয়ে গেছে বিতরণ করা মোট ঋণের ৩৩ শতাংশ।
ব্যাংকটির চট্টগ্রাম বিভাগের মহাব্যবস্থাপক হামিদুর রহমান এ বিষয়ে বণিক বার্তাকে বলেন, খেলাপি গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ে বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
বিদেশী খাতের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ব্যবসাও চট্টগ্রামে আক্রান্ত হয়েছে। এ বিভাগে ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ১৯৪ কোটি টাকা, যা এ বিভাগে বিতরণ করা মোট ঋণের ১৩ শতাংশ। এখানকার ইয়াসীর এন্টারপ্রাইজের কাছে এ ব্যাংকের পাওনা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা।
দ্য সিটি ব্যাংকের চট্টগ্রাম বিভাগে বিতরণ করা ঋণের ১৫ শতাংশই খেলাপি হয়ে গেছে। ডিসেম্বর শেষে এর অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ২৮১ কোটি টাকা। ইয়াসীর এন্টারপ্রাইজের কাছে ব্যাংকটির পাওনা ১০৪ কোটি টাকা। এছাড়া জাহাজ ভাঙা শিল্পে মোটা অঙ্কের অর্থায়ন করে ব্যাংকটি বিপাকে পড়েছে বলে জানা গেছে।
এভাবে দেশের অধিকাংশ ব্যাংকেরই চট্টগ্রাম শাখা খেলাপি ঋণ নিয়ে নাজুক অবস্থার মধ্যে রয়েছে। এ বিষয়ে ওয়ান বাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফখরুল আলম বলেন, অনেক ঋণের বিপরীতে বন্ধক হিসেবে জমি রয়েছে। কিন্তু দাম কম থাকায় ওই জমিও এখন বিক্রি করা যাচ্ছে না। তবে চট্টগ্রামে ব্যবসায়িকভাবে আক্রান্ত হওয়ার পর সব ব্যাংক এখন সতর্ক।
চট্টগ্রাম বিভাগে ব্যাংক এশিয়ার বিতরণ করা ঋণের ১২ শতাংশ খেলাপি হয়ে গেছে। ডিসেম্বর শেষে এর অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৩২৯ কোটি টাকা। আহম্মদ মোস্তফা স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজের কাছে ব্যাংকটির পাওনা ২৮ কোটি টাকা। এছাড়া হোসেন অ্যান্ড ব্রাদার্সের কাছে ১৫ কোটি, হানিফ ইমপ্লেক্স ইন্টারন্যাশনালের কাছে ৯ কোটি ও মেসার্স পাকিজা এন্টারপ্রাইজের কাছে ১২ কোটি টাকা পাবে এ ব্যাংক।
এদিকে ডিসেম্বর শেষে চট্টগ্রাম বিভাগে সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ১৯১ কোটি টাকা, যা এ অঞ্চলে বিতরণ করা ঋণের ৮ শতাংশ। একই সময়ে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে জনতা ব্যাংকের ৯৮ কোটি (২ শতাংশ), রূপালীর ১৮৫ কোটি (১২ শতাংশ), উত্তরার ১০৬ কোটি (১৩ শতাংশ), যমুনার ২১১ কোটি (১৫ শতাংশ), ন্যাশনাল ব্যাংকের ৮৯ কোটি (২ শতাংশ), এবি বাংকের ১১১ কোটি (৩ শতাংশ), ইসলামী ব্যাংকের ৩৬৮ কোটি (৪ শতাংশ), এনসিসি ব্যাংকের ১৪২ কোটি (৫ শতাংশ), মার্কেন্টাইলের ২৩২ কোটি (১১ শতাংশ), পূবালীর ৩৯০ কোটি (১০ শতাংশ) ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ১৫৫ কোটি টাকা (১২ শতাংশ)।
চট্টগ্রাম বিভাগে ব্যাংকগুলোর মোটা অঙ্কের ঋণ আটকে যাওয়ায় এ অঞ্চলে নতুন ঋণ প্রদানে এখন কঠিন সতর্কতা আরোপ করা হয়েছে। ঋণের চেয়ে বেশি হারে বন্ধকি না থাকলে ঋণ পাচ্ছেন না এখানকার ব্যবসায়ীরা। যদিও আগে বন্ধকি ছাড়াই বিশ্বাসের ওপর তারা ঋণ পেয়েছেন।
অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও পূবালী ব্যাংকের এমডি হেলাল আহমেদ চৌধুরী বলেন, একসময় কিছু ব্যাংক অতি মুনাফার আশায় ঝুঁকি বিবেচনায় না নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে আগ্রাসী ব্যাংকিং করেছে, অসম প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে; যার ফল এখন ভোগ করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় সব ব্যাংকই এখানকার শাখাগুলোকে বলে দিয়েছে, ঋণ দিতে হবে বেশি বন্ধকি নিয়ে। আর আটকে যাওয়া অর্থ উদ্ধারে সব ব্যাংক আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে। প্রয়োজনে ব্যাংকগুলো এ ব্যাপারে জোট গঠন করবে।
আর চট্টগ্রাম নিয়ে বিপাকে থাকা একটি ব্যাংকের এমডি বলেন, ‘সম্ভব হলে এসব এলাকার শাখা গুটিয়ে নেব। যে ক্ষতি হয়েছে, তা পোষাতে কয়েক বছর লাগবে। নতুন করে আর এ ধরনের ব্যবসা চাই না। এসএমই ঋণ দিয়েই ভালোভাবে ব্যাংক পরিচালনা করা সম্ভব।’
চট্টগ্রাম নিয়ে ব্যাংকগুলোর এ ধরনের পরিকল্পনা সম্পর্কে চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, দেশের বড় বড় ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠান খাতুনগঞ্জসহ চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে আর্থিক সেবা দিত। কিন্তু কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার করণে এখানকার অন্য সব ব্যবসায়ীকে মাশুল দিতে হচ্ছে। ব্যাংকে ব্যাংকে ঘুরেও ঋণ পাওয়া যাচ্ছে না।
চট্টগ্রামে ব্যাংকগুলোর ঋণের একটি বড় অংশ আটকে আছে জাহাজ ভাঙা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের কাছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ শিপ ব্রেকিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হেফাজতুর রহমান বলেন, শিপ ব্রেকিংসহ বিভিন্ন খাতে ঋণখেলাপির ঘটনা ঘটিয়েছেন ফটকা ব্যবসায়ীরা। কোনো খাতে ব্যবসা না বুঝে বিনিয়োগ করা ঠিক নয়। কিন্তু শিপ ব্রেকিং খাতে অনেকে ব্যবসা শুরু করেছিলেন না বুঝে। যাচাই-বাছাই ছাড়াই ওই ফটকা ব্যবসায়ীদের ঋণ দিয়েছে ব্যাংকগুলো। আন্তর্জাতিক বাজারে ইস্পাতের দাম কমে যাওয়া ও দেশে ইস্পাত শিল্পের চাহিদার তুলনায় বেশি জাহাজ আমদানি হওয়ায় এ খাতে ধস নেমেছে। এতে ফটকা ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা দেউলিয়া হয়ে পড়েছেন। তাই তারা এখন ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না।
– See more at: http://www.bonikbarta.com/first-page/2014/03/12/34567#sthash.62wrLESh.dpuf
Discussion about this post