• Home
  • Who Am I
Monday, February 2, 2026
  • Login
Shanaullah Sakib
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
Shanaullah Sakib
No Result
View All Result

রুগ্ণ হয়ে পড়ছে বিএনপি নেতাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

admin by admin
July 6, 2015
in ব্যাংকের চলতি ঘটনা
0

সিরামিক খাতে একসময়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান মুন্নু। কয়েক বছর ধরেই জ্বালানি ও চলতি মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে বিএনপি নেতা হারুনুর রশীদ খান মুন্নুর মালিকানাধীন কোম্পানিটি। এ সংকটের কারণে ধারাবাহিকভাবে কমছে কোম্পানির মুনাফা।

জিয়া পরিবারের মালিকানাধীন কোম্পানি ড্যান্ডি ডায়িং। ২০০৩ সালে প্রথম লোকসানে পড়ে কোম্পানিটি। এ সময় লোকসান দাঁড়ায় ৪৪ লাখ টাকা। এর পর ধারাবাহিকভাবে লোকসান বাড়তে থাকে। ২০০৮ সালে লোকসান হয় ২ কোটি টাকা; ২০১০ সালে তা সাড়ে ৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। টানা লোকসান ও চলতি মূলধন ঘাটতির কারণে একসময় বন্ধ করে দিতে হয় কোম্পানিটির উৎপাদন। ব্যাংকঋণ পরিশোধের সক্ষমতা হারিয়ে খেলাপি হয়ে পড়ে প্রতিষ্ঠানটি। পরবর্তীতে ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় ২০১৩ সালে ড্যান্ডি ডায়িংয়ের উদ্যোক্তা-পরিচালকদের বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির মামলা করে সোনালী ব্যাংক।

বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মোসাদ্দেক আলী। কয়েক বছরে এ ব্যবসায়ী মালিকানা ছেড়েছেন বিল্ডট্রেড, আরটিভি ও ঢাকা-সাংহাই সিরামিকের। শেয়ার থাকার পরও পরিচালক হতে পারছেন না আইএফআইসি ব্যাংকের। বর্তমানে এনটিভি ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নেই তিনি। ঢাকা ব্যাংকের শেয়ার থাকলেও বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের অন্য ব্যবসা প্রায় বন্ধ।

পরিস্থিতি ভিন্ন নয় চট্টগ্রামভিত্তিক বিএনপি নেতাদের ব্যবসারও। রাইজিং গ্রুপ, মেহের গ্রুপ, এনএক্স গ্রুপ, আজমীর ট্রেডিং ও এমইবির অবস্থাও বেশ নাজুক। সবগুলোর মালিকানাই বিএনপিপন্থী নেতাদের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অভিজাত প্রতিষ্ঠান মুন্নু সিরামিকের ২০১১ সালে কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ৩ কোটি টাকা। পরের বছরই তা অর্ধেকে নেমে যায়। গ্যাস সংযোগ ব্যাহত হওয়ায় ২০১৩ সালে মুনাফা নেমে আসে ৮৩ লাখ টাকায়। ২০১৪ সালে তা কমে দাঁড়ায় মাত্র ২৫ লাখ টাকায়। চলতি মূলধন পর্যাপ্ত না থাকায় ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে কোম্পানিটি। এভাবেই একসময়ের লাভজনক প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে। মুন্নু গ্রুপেরই আরেক প্রতিষ্ঠান মুন্নু ফ্যাব্রিকসের অবস্থা আরো নাজুক।

জানতে চাইলে মুন্নু সিরামিকের মহাব্যবস্থাপক (অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স) ফয়েজ মাহফুজউল্লাহ বলেন, মুন্নু সিরামিক রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়। বর্তমানে রাজনৈতিকভাবে সরকারের বিপরীত পক্ষে রয়েছে কোম্পানির পর্ষদ। ফলে অর্থায়নে বেগ পেতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, সিরামিক পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে বেশি জরুরি গ্যাস। এক্ষেত্রে কিছুটা সংকট থাকায় চাইলেও উৎপাদনক্ষমতার পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার করা সম্ভব হয় না।

বিএনপির ঢাকা মহানগরীর আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস ঢাকা ব্যাংকের শেয়ার ছাড়া অন্য কোনো ব্যবসায় নেই। বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য সিলভার সেলিমের পোশাক সংশ্লিষ্ট ব্যবসা ছাড়া অন্য ব্যবসা বন্ধ। মন্দা চলছে আলী আজগর লবীর রূপসী গ্রুপের ব্যবসায়ও। সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান মালিকানা ছেড়েছেন আর্টিসান সিরামিকের।

জিয়া পরিবারের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান শিপার্সের এমডি পদের দায়িত্ব পেয়ে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। চ্যানেল ওয়ান, গাজীপুরে ওয়ান টেক্সটাইল, ময়মনসিংহের ভালুকায় প্রিকাস্ট কংক্রিট ইন্ডাস্ট্রিজ, পঞ্চগড়ে খাম্বা লিমিটেড, গাজীপুরে ওয়ান কম্পোজিট, ওয়ান কনজিউমার প্রডাক্ট লিমিটেড, রহমান নেভিগেশনের মালিকানা পান তিনি। দু-একটি ছাড়া সব প্রতিষ্ঠানই বন্ধ।

চট্টগ্রামভিত্তিক শিল্প পরিবার ‘রাইজিং গ্রুপ অব কোম্পানিজ’। বিএনপির চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আহ্বায়ক আসলাম চৌধুরীর মালিকানাধীন এ গ্রুপের অধীন প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৩০টির মতো। গ্রুপটির কাছে ১০-১২টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বকেয়া ঋণ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে রাইজিং স্টিল লিমিটেড ও লার্ক পেট্রোলিয়াম কোম্পানি লিমিটেডের কাছে তিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাওনা ২৬৩ কোটি টাকার বেশি। নির্দিষ্ট সময়ে ঋণ ফেরত না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে মামলা করেছে তিন আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

লংকাবাংলা ফিন্যান্সের করা মামলায় প্রতিষ্ঠান দুটির চেয়ারম্যান ও আসলামের স্ত্রী জামিল নাজনিল মাওলা, আসলামের দুই ভাই ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমজাদ হোসেন চৌধুরী ও পরিচালক জসীম উদ্দিন চৌধুরীসহ সাতজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। এমনকি গত ২ ফেব্রুয়ারি রাইজিং স্টিল ও লার্ক পেট্রোলিয়ামের বন্ধকি সম্পত্তির নিলাম আহ্বান করে পাওনাদার প্রতিষ্ঠান লংকাবাংলা।

এ বিষয়ে লংকাবাংলা ফিন্যান্স আগ্রাবাদ শাখার আইন কর্মকর্তা মীর মো. আতিকুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, রাইজিং গ্রুপের রাইজিং স্টিল ও লার্ক পেট্রোলিয়াম লংকাবাংলা থেকে ঋণ নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে ফেরত দেয়নি। এর পর তাদের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৩১টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় আসলাম চৌধুরীর স্ত্রী ও ভাইসহ প্রতিষ্ঠান দুটির পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এর পর থেকে ওই পরিবারের সদস্যদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাইজিং স্টিলের নামে নেয়া ঋণ পরিশোধ না করায় গত ৩১ মার্চ প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালতে মামলা করে সাউথ ইস্ট ব্যাংক। সাউথ ইস্ট ব্যাংক হালিশহর শাখার ব্যবস্থাপক (অপারেশন) মনজুর আহমেদ বলেন, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বেশ চেষ্টা করেও ঋণের টাকা ফেরত না পাওয়ায় রাইজিং স্টিলের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। কোম্পানিটির যে অবস্থা, ঋণের টাকা নিয়ে শঙ্কায় আছি। ব্যবসায়িক ধসের পাশাপাশি রাজনৈতিক কারণে ব্যবসা পরিচালনা করতে না পারায় গ্রুপটির নাজুক অবস্থা তৈরি হয়েছে।

পরিবারটির ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, গাড়ি পোড়ানো ও ভাংচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগে আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রায় অর্ধশত ও তার ভাই আমজাদ হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৮-১০টি, বড় ভাই ইসহাক কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে ছয়-সাত রাজনৈতিক মামলা রয়েছে। গত ৫ জানুয়ারি কাজীর দেউড়ি এলাকায় ভাংচুর মামলায় আসলাম চৌধুরী গ্রেফতার হওয়ার পর তার স্ত্রী ও ভাই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করতেন। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধেও মামলা আর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ায় এখন নিরাপদে অবস্থান করছেন তারা। এ অবস্থায় পুরো গ্রুপটির ব্যবসায় ভাটা পড়েছে।

গ্রুপের সার্বিক বিষয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমজাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, গত কয়েক বছরে শিপ ব্রেকিং, প্রপার্টিজ ডেভেলপমেন্টসহ বিভিন্ন খাতে ধস গ্রুপে একটি খারাপ প্রভাব ফেলে। এর পর সরকার আমাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করে চলছে। ব্যাংক যেসব মামলা করেছে, তা আমরা সমাধানের চেষ্টা করছি। মামলার কারণে সতর্ক অবস্থায় থেকে ব্যবসা পরিচালনা করতে হচ্ছে।

মেহের গ্রুপের চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সভাপতি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তার বিরুদ্ধে নগরীর কোতোয়ালি ও চকবাজার থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। সতর্কভাবে চলাফেরা করার কারণে তিনি ব্যবসায় সেভাবে মনোযোগ দিতে পারছেন না বলে জানান তার ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ সেলিম। তিনি বলেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জামিনে আছেন। তার পরও সতর্কভাবে চলাফেরা করতে হয়। এ কারণে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও খুব বেশি নজর দিতে পারছেন না। গার্মেন্ট, কার্টন ফ্যাক্টরি ও হোটেল ব্যবসাসহ গ্রুপের ৮-১০টি সহযোগী প্রতিষ্ঠান থাকলেও গত এক বছরে এসব প্রতিষ্ঠানে সেভাবে সময় দিতে পারেননি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

কয়েক বছর আগেই ব্যাংকঋণ ও পারিবারিক কোন্দলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে চট্টগ্রামে অন্যতম শিল্প গ্রুপ মেসার্স ইলিয়াছ ব্রাদার্স (এমইবি)। দুটি ব্যাংকের করা মামলায় এর আগে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ পরিবারের ছয় সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন চট্টগ্রামে দুটি আদালত। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও নগর বিএনপির সহসভাপতি শামসুল আলমের বিরুদ্ধে এর পর আরো ছয়টি রাজনৈতিক মামলা যোগ হয়। গত তিন বছরে নগরীর বিভিন্ন থানায় করা এসব মামলায় আটক হওয়ার ভয়ে অনেকটা পলাতক রয়েছেন এ নেতা। এর প্রভাব পড়ছে গ্রুপের ব্যবসায়।

এমইবি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শোয়েব রিয়াদ বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থমকে যাবে। কারণ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কোনো একটি দলের ব্যবসায়ীদের ওপর নির্ভর করে না।

ট্রিটমেন্ট হসপিটাল, দাল্লা মেডিকেলসহ কয়েকটি প্রাইভেট হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদৎ হোসেনের। গত কয়েক বছরে চট্টগ্রামের প্রাইভেট হাসপাতাল হিসেবে বেশ সুনাম অর্জন করে ট্রিটমেন্ট। কিন্তু গতকাল পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার হাসপাতালটিতে গিয়ে আগের অবস্থা দেখা যায়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের এক কর্মকর্তা বলেন, ট্রিটমেন্ট হসপিটালের চেয়ারম্যান ডা. শাহাদৎ হোসেন। রাজনৈতিক মামলায় কোণঠাসা হয়ে পড়ায় দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানে আসেন না তিনি। এতে প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে।

একসময়ের খাতুনগঞ্জের বড় ট্রেডিং ব্যবসায়ী ছিলেন ইদ্রিচ মিয়া। গতবার পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হন। রাজনীতি ও মামলায় ব্যবসা থেকে বর্তমানে দূরে চলে গেছেন এ বিএনপি নেতা। এতে বিভিন্ন ব্যাংকের কয়েক কোটি টাকা আটকে গেছে বলে ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. হরিপদ ভট্টাচার্য এ প্রসঙ্গে বলেন, রাজনীতির সঙ্গে অর্থনীতির যোগসূত্র বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। একটি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য কেমন চলবে, তা নির্ভর করে সে দেশের সরকারের নীতির ওপর। আর ব্যবসায়ীদের একটি স্বতন্ত্র চরিত্র থাকা উচিত। কিন্তু বাংলাদেশে তা নেই। এখানকার ব্যবসায়ীরা কোনো না কোনোভাবে রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। ফলে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিরোধী দলের সমর্থক ব্যবসায়ীরা কিছুটা সমস্যায় পড়েন। এতে তাদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি তাদের ঋণ খেলাপি হয়ে পড়ে। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ঝুঁকি বাড়ে এতে। তবে দেশের সার্বিক অর্থনীতির স্বার্থে সরকারের উচিত রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সবার জন্য একই ধরনের নীতি বাস্তবায়ন করা।

Previous Post

ঋণ কেলেঙ্কারিতে ফেঁসে যাচ্ছেন অগ্রণীর এমডি

Next Post

রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক তিন মাসে লোকসানি শাখা বেড়েছে ১৭৫টি

Next Post

রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক তিন মাসে লোকসানি শাখা বেড়েছে ১৭৫টি

Discussion about this post

No Result
View All Result

Recent Posts

  • রন ও রিকের ক্রেডিট কার্ড বাতিলের উদ্যোগ
  • ক্রেডিট কার্ডে এত ডলার পাচার হলো কীভাবে
  • ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির পদত্যাগের নেপথ্যে সিকদারদের ক্রেডিট কার্ড
  • অবৈধ ব্যাংকিং বন্ধে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • বড় হচ্ছে ভারী যন্ত্রের ব্যবসা
  • ব্যাংকের সুদ: এক ভুলের মাশুল দিতে আরেক ভুল
Shanaullah Sakib

© 2021 Shanaullah Sakib.

Navigate Site

  • Home
  • Who Am I

Follow Us

No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার

© 2021 Shanaullah Sakib.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In