• Home
  • Who Am I
Sunday, February 1, 2026
  • Login
Shanaullah Sakib
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার
No Result
View All Result
Shanaullah Sakib
No Result
View All Result

বিদেশী ঋণ; বড় অঙ্কের ভুয়া প্রস্তাব

admin by admin
October 28, 2015
in ব্যাংকের চলতি ঘটনা
0

ওয়ান ক্লিক রিসোর্স। ঠিকানা সিঙ্গাপুরের লরং বাকার বাটু সড়কের ব্রাইটওয়ে বিল্ডিং। বাংলাদেশের ভূঁইয়া ওয়ার্মটেক্স লিমিটেডকে ১৫ কোটি ডলার ঋণ দিতে চায় প্রতিষ্ঠানটি; বাংলাদেশী মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এক বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ১৫ বছর। আর সুদহার মাত্র আড়াই শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ঋণ প্রস্তাব পেয়ে বিনিয়োগ বোর্ডের কাছে এর অনুমোদন চায় ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ভূঁইয়া ওয়ার্মটেক্স। তবে ঋণ প্রস্তাবকারী প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি বিনিয়োগ বোর্ড। ফলে বাতিল হয়ে গেছে প্রস্তুাবটি।

একইভাবে দেশের একাধিক প্রতিষ্ঠানকে ঋণ প্রস্তাব দিয়েছে ক্যাপিটাল কিং, স্ফিং ফিন্যান্সসহ আরো কিছু প্রতিষ্ঠান। সেগুলোরও অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি বিনিয়োগ বোর্ড। ফলে অনুমোদন মেলেনি এসব ঋণেরও।

বিনিয়োগ বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ীদের ঋণ চাহিদাকে পুঁজি করে গড়ে উঠেছে বিদেশী ঋণদাতা প্রতারক চক্র। ভুয়া এসব প্রতিষ্ঠান থেকে ২-৩ শতাংশ সুদে বড় অঙ্কের ঋণ প্রস্তাব পাচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এসব প্রস্তাবের বেশির ভাগই আসছে ই-মেইলের মাধ্যমে। অনেক ক্ষেত্রে এসব প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নামও ব্যবহার করছে।

যোগাযোগ করা হলে বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী সদস্য নাভাস চন্দ্র মণ্ডল বণিক বার্তাকে বলেন, বাংলাদেশ থেকেই এসব প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। তবে আমরা ভালো রেটিং ও আন্তর্জাতিক সুনামসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কারো কাছ থেকে ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন দিচ্ছি না। তাছাড়া ঋণের ব্যবহার নিয়েও নিয়মিত নজরদারি করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের বাইরে বিশেষ করে সিঙ্গাপুরে কিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তারাই মূলত বড় অঙ্কের ঋণ প্রস্তাব দিচ্ছে। পরে ঋণ প্রদানের নামে সার্ভিস চার্জ পাঠাতে বললে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দিচ্ছে। কিছু বাংলাদেশীর সঙ্গে এদের সখ্য গড়ে উঠেছে; যারা দেশে এসে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে ঋণ প্রস্তাব করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভূঁইয়া ওয়ার্মটেক্সের মতো প্রীতি গ্রুপও ক্যাপিটাল কিং থেকে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার ঋণ অনুমোদন চেয়ে বিনিয়োগ বোর্ডে আবেদন করে। তবে বিনিয়োগ বোর্ড ঋণ প্রস্তাবকারী প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব খুঁজে না পাওয়ায় তা বাতিল করে দিয়েছে। এছাড়া স্ফিং ফিন্যান্স থেকে ঋণ নিতে চেয়েছিল কনকর্ড ফার্মা। যদিও স্ফিং ফিন্যান্সেরও অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি বিনিয়োগ বোর্ড।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন দেশে এ ধরনের প্রতারণা বেশ পুরনো। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধনশীল অর্থনীতি ও বৈদেশিক ঋণ সংক্রান্ত নীতি শিথিলকরণের কারণে এসব প্রতারক চক্র এখানকার ব্যবসায়ীদের লক্ষ্যে পরিণত করতে চাইছে। এ ধরনের প্রতারণামূলক প্রস্তাবের অধিকাংশই পাঠানো হয় জিমেইল, ইয়াহু মেইলের মতো ফ্রি ই-মেইল সার্ভিস থেকে।

বেসরকারি খাতে বিদেশী ঋণ নেয়া হয় সাধারণত ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) ও নেদারল্যান্ডসের এফএমও, এশীয় উন্নয়ন (এডিবি), ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি), প্রোপার্কো ও দেশী-বিদেশী ব্যাংকের অফসোর ইউনিট থেকে। এসব ঋণ অনুমোদন করে বৈদেশিক ঋণ অনুমোদন-সংক্রান্ত বাছাই কমিটি। কমিটির প্রধান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সভাপতিত্বে ঋণ অনুমোদন সভায় উপস্থিত থাকেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিনিয়োগ বোর্ড, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

চলতি বছরের ৮ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলারে বেসরকারি খাতে বিদেশী ঋণ গ্রহণের পদ্ধতি শিথিল করে। সার্কুলার অনুযায়ী, বিদেশ থেকে ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টি ছাড়া অন্যান্য গ্যারান্টির (করপোরেট গ্যারান্টি, ব্যক্তিগত গ্যারান্টি ও তৃতীয় পক্ষীয় গ্যারান্টি) জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন লাগবে না। এছাড়া বিদেশী ঋণের সুদও কম। এসব কারণে বিদেশী ঋণের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন ব্যবসায়ীরা। দেশীয় ব্যাংকের ক্ষেত্রে সুদহার ১২-১৪ শতাংশ হলেও বিদেশী ঋণে এ হার ৬ শতাংশের কম।

সূত্রমতে, চায়না ডেভেলপমেন্ট থেকে ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কোম্পানির ৩৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার ঋণ গ্রহণের প্রস্তাব এরই মধ্যে অনুমোদন দিয়েছে এ-সংক্রান্ত কমিটি। চট্টগ্রামে হাসপাতাল নির্মাণের জন্য এসটিএস গ্রুপের সাড়ে ৩ কোটি ডলারের ঋণ প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে। আইএফসি ও ডিইজি থেকে এ ঋণ নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া ডিইজি ও এফএমও থেকে ম্যাক্স পাওয়ারকে ৩ কোটি, একই প্রতিষ্ঠান থেকে ইপিলিয়ন নিটওয়্যারকে ১ কোটি ৪৫ লাখ, আকিজ পার্টিকেল বোর্ডকে ৪ কোটি ৩০ লাখ, বিভিন্ন ব্যাংকের অফসোর ইউনিট থেকে বিআরবি কেবলকে ৩ কোটি ৫০ লাখ, রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজকে ২ কোটি ৫০ লাখ ও আরএকে সিরামিককে ১ কোটি ৭৫ লাখ ডলার ঋণ গ্রহণের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে বৈদেশিক ঋণ অনুমোদন কমিটি।

জানা গেছে, ২০০৯ সালে ১৮টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার বিদেশী ঋণ অনুমোদন করে এ-সংক্রান্ত কমিটি। পরের বছর ২০টি প্রতিষ্ঠানের অনকূলে অনুমোদন হয় ৩০ কোটি ২০ লাখ ডলার। এছাড়া ২০১১ সালে ২৪টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কমিটি অনুমোদন করে ৯০ কোটি ৯০ লাখ ও ২০১২ সালে ৬২টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ১৪৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। আর চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৮০টি প্রতিষ্ঠানের অনকূলে ১৪১ কোটি ৯০ লাখ ডলার ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে গত পাঁচ বছরে ঋণ অনুমোদন সম্পর্কিত কমিটি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিদেশী ঋণ অনুমো

Tags: #private bank Bangladesh
Previous Post

মোবাইল ব্যাংকিং; মোবিক্যাশের ৬০ হাজার এজেন্টকে পৃথক ব্যাংক হিসাব খোলার নির্দেশ

Next Post

দুই বছরে টাকার বিপরীতে রিঙ্গিতের মান কমেছে ২৫%

Next Post

দুই বছরে টাকার বিপরীতে রিঙ্গিতের মান কমেছে ২৫%

Discussion about this post

No Result
View All Result

Recent Posts

  • রন ও রিকের ক্রেডিট কার্ড বাতিলের উদ্যোগ
  • ক্রেডিট কার্ডে এত ডলার পাচার হলো কীভাবে
  • ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির পদত্যাগের নেপথ্যে সিকদারদের ক্রেডিট কার্ড
  • অবৈধ ব্যাংকিং বন্ধে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • বড় হচ্ছে ভারী যন্ত্রের ব্যবসা
  • ব্যাংকের সুদ: এক ভুলের মাশুল দিতে আরেক ভুল
Shanaullah Sakib

© 2021 Shanaullah Sakib.

Navigate Site

  • Home
  • Who Am I

Follow Us

No Result
View All Result
  • Home
  • নতুন ব্যাংক
  • বেসরকারী ব্যাংক
  • ব্যাংক দুর্নীতি
  • ব্যাংকের চলতি ঘটনা
  • সরকারী ব্যাংক
  • সাক্ষাত্কার

© 2021 Shanaullah Sakib.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In